প্রথম পাতা খবর জ্বালানি ব্যবহারে সংযমের বার্তা মোদীর, তেলের দামবৃদ্ধির জল্পনায় বাড়ছে উদ্বেগ

জ্বালানি ব্যবহারে সংযমের বার্তা মোদীর, তেলের দামবৃদ্ধির জল্পনায় বাড়ছে উদ্বেগ

15 views
A+A-
Reset

পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার ভারতের জ্বালানি বাজারেও পড়তে শুরু করেছে। এই আবহেই দেশবাসীকে পেট্রোল-ডিজেল ও রান্নার গ্যাস ব্যবহারে সংযত হওয়ার বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদি। রবিবার তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদে এক সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত তার প্রয়োজনীয় জ্বালানির বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়া জরুরি।

৯,৪০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদী বলেন, “একান্ত প্রয়োজন না হলে আমদানিকৃত পেট্রোলিয়াম পণ্য ব্যবহার কমাতে হবে। এতে যেমন বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে, তেমনই যুদ্ধ পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাবও কমবে।” রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে ভবিষ্যতের জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিতও রয়েছে।

আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালীতে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। তার প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত সরকার সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত পেট্রোল, ডিজেল বা রান্নার গ্যাসের দাম না বাড়ালেও রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির প্রতিদিন বিপুল আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের অনুমান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই জ্বালানির দাম বাড়তে পারে।

এরই মধ্যে বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে বড়সড় বৃদ্ধি করেছে তেল সংস্থাগুলি। ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম একধাক্কায় প্রায় হাজার টাকা বেড়েছে। পাশাপাশি অটো এলপিজির দামও বাড়ানো হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ী— সকলের মধ্যেই উদ্বেগ বাড়ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনে জ্বালানি ও রান্নার গ্যাসের বাজারে আরও চাপ তৈরি হতে পারে। সেই কারণেই এখন থেকেই সংযমী ব্যবহারের বার্তা দিতে শুরু করেছে কেন্দ্র সরকার।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.