Too many requests

Your connection is temporarily throttled, because you sent too many requests to Codeberg. This could have various reasons:.

We are sorry for the inconvenience. Please wait for 15 - 30 minutes and try again. If you keep running into this, please let us know and describe what you were doing.

If this error continues to show up, please have a look at our status page.

৪৬ এও গ্ল্যাামারেস রচনা, রহস্য টা কি জানেন? - NewsOnly24
প্রথম পাতা বিনোদন ৪৬ এও গ্ল্যাামারেস রচনা, রহস্য টা কি জানেন?

৪৬ এও গ্ল্যাামারেস রচনা, রহস্য টা কি জানেন?

386 views
A+A-
Reset

ডেস্ক: ৪৬ বছর বয়সেও এখনও গ্ল্যাামারেস অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।রচনার কাছে বয়স কেবল মাত্রই একটা সংখ্যা।তাই বয়স বাড়লেও সেই ছাপ তাঁর মন অবধি পৌঁছায়নি।রচনাকে দেখলে এখনও মনে হয়, ২০ তেই আটকে রয়েছে তাঁর বয়স।কিন্তু রচনার এই ফিটনেসের আসল রহস্যটা কি জানেন?রচনার মনে করেন বয়স বাড়লেও নিজের এই ফিটনেসকে ধরে রাখতে গেলে প্রয়োজন হয় নিয়মিত শরীরচর্চা।

শরীরচর্চার পাশাপাশি নিজের গ্ল্যামারকে ধরে রাখার জন্য দরকার নিয়মিত উচ্ছের রস এবং লাউযের জুস খাওয়া।তবেই শরীরে পড়বে না বয়সের ছাপ।বর্তমানে তিনি জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘দিদি নং ওয়ান’ এর সঞ্চালিকা। প্রতিটি মানুষের জীবনেই কম – বেশি আফসোস থেকে যায়।সেই দুঃখ, কষ্ট,ঘাত-প্রতিঘাতের কথা ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ রিয়্যালিটি শো তে অংশগ্রহণকারীরা শেয়ার করেন।নারীর জীবনের সেই কঠিন লড়াইয়ের গল্প এবং তার মধ্যে দিয়ে বাধা কাটিয়ে জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়ার গল্প হাসি মুখে প্রতিদিন শোনেন রচনা। নারীদের সামনের দিকে এগিয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে মনে সাহস জুগিয়ে অনুপ্রেরণা দেওয়ার চেষ্টা ও করেন অভিনেত্রী।কিন্তু জানেন কি, সকলের প্রিয় সেই দিদির জীবনেও একটা বড় আফসোস রয়ে গিয়েছে?

কর্মজীবনে সাফল্য লাভ করলেও কোথাও গিয়ে একটা না পাওয়ার কষ্ট আজও রচনাকে তাড়া করে বেড়ায়।প্রত্যেকের জীবনেই কোনও না কোনও দুঃখ রয়েছে।কিছু আফসোস সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়।সেই ভুল হাজার চেষ্টা করলেও সংশোধন করা যায় না।এমনই একটি আফসোস রচনার জীবনেও রয়েছে, যা তিনি একটি রিয়্যালিটি শো তে শেয়ার করেছিলেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে।

একসময় ইন্ডাস্ট্রির নামী অভিনেতা অথবা পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করলেও পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছেটা তাঁর রয়ে গিয়েছে।রচনা জানিয়েছেন,ঋতুপর্ণ ঘোষকে ফিরিয়ে দেওয়া তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। সেই আফসোস এখনও তাড়া করে বেড়ায় অভিনেত্রীকে।একটা সময় ছিল,যখন একের পর এক দক্ষিণী ছবিতে চুটিয়ে অভিনয় করতেন রচনা।সেই সময় একটি নতুন দক্ষিণী ছবির শ্যুটিং শুরু হয়েছিল।তখনই তাঁর কাছে ফোন আসে ঋতুপর্ণ ঘোষের।অভিনেত্রীকে ফোনে জানানো হয়,’ দহন’ ছবিতে একটি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তাঁকে বাছাই করা হয়েছে।রচনা যেন তখনই কলকাতাতে ফিরে আসেন।কিন্তু সেই সময় দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে বেরিয়ে আসা সম্ভব ছিল না রচনার পক্ষে।

দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি খুবই কমিটেড, একবার যদি তিনি ওদের নাকচ করে সেদিন বেরিয়ে আসতেন, তাহলে হয়তো রচনার কেরিয়ার নষ্ট হয়ে যেতে পারত। তাঁকে ব্ল্যাকলিস্টে ফেলে দেওয়া হত। সেদিন যদি রচনার শ্যুটিং শুরু না হত, তাহলে হয়তো ঋতুপর্ণ ঘোষের সাথে কাজ করার স্বপ্নটা পূরণ হত। পরবর্তীকালে ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘দহন’ ছবিতে রচনার পরিবর্তে বাছাই করা হয় ইন্দ্রানী হালদারকে।পরবর্তী কালে এই ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন ইন্দ্রানী হালদার।সেদিন যদি রচনার শ্যুটিং না থাকতো,তাহলে হয়তো জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্তির লিস্টে রচনার নাম ও থাকতে পারতো।কিন্তু দুর্ভাগ্য ওই ছবিতে কাজ করা হলনা রচনার।সেই আফসোস অভিনেত্রীকে সারাজীবন তাড়া করে বেড়াবে। সেই দিনটির কথা তিনি কিছুতেই ভুলতে পারেননা।

প্রসঙ্গত,রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু বাংলা এবং দক্ষিণী ছবিতে নয়,হিন্দি ছবি ‘সূর্যবংশ’এ অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গেও অভিনয় করে মন জয় করেছেন দর্শকদের।এখনও পর্যন্ত তিনি মোট ৬ টি ভাষার ছবিতে অভিনয় করেছেন।প্রায় ১০ বছর হয়ে গেল অভিনেত্রী বড় পর্দার থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁর ছেলে হওয়ার পর থেকেই নিজেকে বড়পর্দার থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ছেলেকে বড় করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য হয়ে যাওয়ায় নিয়মিত শ্যুটিং করা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।তবে রূপালি পর্দায় অভিনয় না করলেও জনপ্রিয়তা একটু ও কমেনি রচনার।কারণ এখন তিনি সবার কাছে টেলিভিশনের পর্দায় ‘দিদি নং ওয়ান’ হিসেবেই থাকতে পছন্দ করেন।দশ বছরের বেশি সময় হয়ে গিয়েছে এই রিয়্যালিটি শো তে রচনা সঞ্চালিকার দায়িত্বে রয়েছেন । সেই হিসেবে তিনি আজ শুধু দেশেই নয় বিদেশে প্রবাসী বাঙালিদের কাছে ও সমান ভাবে খ্যাত।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.