আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈন-এর বাড়িতে তল্লাশি নিয়ে এ বার সরাসরি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-কে নিশানা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কলকাতার মিলনমেলা প্রাঙ্গণে এক ডিজিটাল কনক্লেভে তিনি অভিযোগ করেন, কয়লাকাণ্ডের অজুহাতে আসলে তৃণমূলের তথ্য চুরি করতেই আইপ্যাক কর্ণধারের বাড়িতে হানা দেয় ইডি।
অভিষেকের প্রশ্ন, আইপ্যাক সংস্থার মোট তিন জন ডিরেক্টর থাকলেও কেন শুধুমাত্র কলকাতায় তল্লাশি চালানো হল। তাঁর যুক্তি, “এক জন ডিরেক্টর কলকাতায়, এক জন হায়দরাবাদে, আর এক জন দিল্লিতে থাকেন। তাহলে বেছে বেছে কলকাতায় কেন অভিযান? ডিরেক্টরের বাড়িতে তল্লাশি হলে দফতরে যাওয়ার প্রয়োজনই বা কী?” অন্য রাজ্যে আইপ্যাকের দফতরে ইডি না যাওয়াও সন্দেহ বাড়াচ্ছে বলে দাবি তাঁর।
এর আগে নদিয়ার তাহেরপুরের সভাতেও অভিষেক অভিযোগ করেছিলেন, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) প্রক্রিয়ায় তৃণমূলকে সহায়তা করায় আইপ্যাককে টার্গেট করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘দিদির দূত’ অ্যাপের মাধ্যমে গরিব মানুষকে সাহায্য করায় একদিকে ইডি পাঠিয়ে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে মানুষের অধিকার হরণ করা হচ্ছে। তৃণমূল সূত্রে আরও দাবি, যে মামলায় তল্লাশি হয়েছে তা ২০২০ সালের, যখন আইপ্যাকের ডিরেক্টর ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। তা হলে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি হয়নি কেন—এই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়েই তীব্র বিতর্কে নামল শাসকদল।