প্রথম পাতা খবর শুনানিতে জমা নথির ভুয়ো-বৈধতা যাচাইয়ে নতুন কড়াকড়ি, নির্দেশিকা জারি কমিশনের

শুনানিতে জমা নথির ভুয়ো-বৈধতা যাচাইয়ে নতুন কড়াকড়ি, নির্দেশিকা জারি কমিশনের

83 views
A+A-
Reset

শুনানিতে যাঁদের ডাক পড়ছে, তাঁদের ভোটার হিসাবে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের দায়িত্ব এবার পুরোপুরি নিজেদের কাঁধেই। উপযুক্ত নথি জমা দিয়ে ভোটাধিকার বৈধতার প্রমাণ দেখাতেই হবে—এমনই কঠোর নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের মোট ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এই মর্মে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, শুনানিতে পাওয়া সমস্ত নথিপত্র সঙ্গে সঙ্গে বিএলও অ্যাপে আপলোড করতে হবে। শুধু আপলোড করেই দায়িত্ব শেষ নয়—সেই নথি ভুয়ো কি না, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রমাণ যাচাই করতেই হবে আধিকারিকদের। পাঁচ দিনের মধ্যেই কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা অ্যাপে আপলোড সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কী কী লাগবে ভোটারদের?

নির্দিষ্ট দিনে শুনানিতে হাজিরা
ভোটার যোগ্যতার প্রমাণপত্র জমা
পুরনো ম্যাপিং বা এসআইআর রেকর্ডে নাম থাকলে সেই তথ্যও দেখাতে হতে পারে
কমিশন স্পষ্ট করেছে—যাঁদের নোটিস পাঠানো হচ্ছে, তাঁদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। নথি জমা দেওয়ার পর তা ফেলে রেখে দেওয়া চলবে না। যাচাই না-হওয়া পর্যন্ত প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ বলেই গণ্য হবে।
কীভাবে হবে যাচাই?
স্থানীয় দফতরের রেকর্ডের সঙ্গে নথির মিল খতিয়ে দেখবেন ডিইও
এক জেলার নথি অন্য জেলাতে হলে অ্যাপের মাধ্যমে পাঠিয়ে যাচাই
অন্য রাজ্যের নথি হলে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সিইও দফতরের মাধ্যমে যাচাই
এবারের শুনানি পশ্চিমবঙ্গে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। ২৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া শুনানিতে প্রথম দফায় ডাকা হবে ৩০ লক্ষের বেশি ‘নো ম্যাপিং’ ভোটারকে, যাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে মেলেনি। পাশাপাশি ১.৩৬ লক্ষ ভোটারকে ‘সন্দেহভাজন’ বিভাগের তালিকায় রাখা হয়েছে, যাঁদের ক্ষেত্রেও হাজিরা ও নথি জমা বাধ্যতামূলক।
এনুমারেশন পর্ব শেষ হয়ে ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তার পরই শুরু হচ্ছে এই ব্যাপক যাচাই-পর্ব। কমিশনের দাবি, ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা এবং তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.