প্রথম পাতা খবর পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথে, জিটিএ নির্বাচন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথে, জিটিএ নির্বাচন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

361 views
A+A-
Reset

ডেস্ক: দীর্ঘ চারবছর পর পাহাড়ে হতে চলেছে জিটিএ নির্বাচন তথা গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইলেকশন। ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন ভোটার তালিকা এলেই পাহাড়ে জিটিএ নির্বাচন এমনটাই জানালেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে জিটিএ-র নির্বাচন করানো যায়নি। ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলছে। সেই কাজ হয়ে গেলেই জিটিএ নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হবে

মঙ্গলবার কার্শিয়াংয়ের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে পাহাড়ে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, উন্নয়নের পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এই কাজে পাহাড়ের ছোট-বড় সব দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানালেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আমাকে সুযোগ দিন। পাহাড়ের স্থায়ী সমাধান করে দেব।”
মমতা বলেন, “নতুন ভোটার লিস্ট এলেই আমরা জিটিএ নিয়ে এগোব। আমরা পাহাড়ের উন্নয়ন চাই। নির্বাচন হওয়া জরুরি। নিজেদের মধ্যে কোনও বিরোধ নয়। ঝগড়া নয়। একসঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে উন্নয়নের কাজ করব। জিটিএ নির্বাচন হবে। ওটার সঙ্গে লেগে থাকতে হবে।” এখানেই না থেমে তৃণমূল নেত্রী আরও যোগ করেন, “সবসময় কাজে থাকতে পারবে এমন কাউকে জিটিএ-র দায়িত্ব দেওয়া ভাল।” 

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে ভারতের হার নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না ইমরান খান


বিভিন্ন সময় আলাদা রাজ্যের দাবিতে উত্তপ্ত হয়েছে পাহাড়। নষ্ট হয়েছে সরকারি সম্পত্তি। থমকে গিয়েছে পাহাড়ের উন্নয়ন। তৃণমূলের অভিযোগ, সেই অশান্তিতে বারবার ইন্ধন জোগাচ্ছে বিজেপি। এই ইস্যুতে পাহাড়ের স্থানীয় দলগুলিকে নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা করে তাঁরা। এবার সেই সমস্ত প্ররোচনা, রাজনৈতিক টানাপোড়েনের ইতি টানতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী। 


ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই তিনি সেই প্রস্তাব জমা দিতে বলেন রোশন গিরি, অনিত থাপাদের। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, ছটপুজো মিটে গেলেই তিনি ফের পাহাড়ে যাবেন। তবে দার্জিলিং যে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যেই থাকবে, তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকল্পনা তৈরির জন্য মুখ্যমন্ত্রী একটি কমিটি গঠন করতে বলেছেন। সেখানে তিনি রোশন গিরি, অনিত থাপা, অমরনাথ রাই এবং গৌতম দেবদের রাখতে বলেছেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বিনয় তামাং কিংবা বিমল গুরুং-এর নাম করেননি।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.