সাধনা দাস বসু : অনাদৃত এবং প্রায় হারিয়ে যাওয়া শস্য ও সবজি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল ‘ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ কমিউনিকেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস সেন্টার’ – ডিআরসিএসসি।
সুস্থায়ী কৃষি ও সুস্থায়ী উন্নয়ন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ১২ টি জেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ কমিউনিকেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস সেন্টার। অনাদৃত ও অবহেলিত পুষ্টিকর শাক-সবজি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ২০২১ সাল থেকে নতুন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে ডিআরসিএসসি। উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ ও পাথরপ্রতিমায় চলছে এই প্রকল্পের কাজ। এই প্রকল্পেরই অঙ্গ হলো দক্ষিণ শহরতলির কামালগাজিতে আয়োজিত এদিনের অনুষ্ঠান।

এই অনুষ্ঠানে অনাদৃত শাক সবজির পুষ্টিগুণ নিয়ে বক্তব্য রাখেন পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শদাতা ড. অনন্যা ভৌমিক। এছাড়াও হারিয়ে যাওয়া ফসলের গান নিয়ে ছিলেন লোকসংগীত শিল্পী শিবাঞ্জন ভট্টাচার্য। ছিল ছোটদের নিয়ে অঙ্কন প্রতিযোগিতা। সেই সঙ্গে উদ্যোক্তারা একটি প্রদর্শনীরও আয়োজন করে। এই প্রদর্শনীতে ছিল দেশী বীজ, বিষমুক্ত ও কৃষি বাস্তু তান্ত্রিক চাষ পদ্ধতি মেনে উৎপাদিত ও অবহেলিত ফসল দিয়ে তৈরি নানা পণ্য।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এই প্রজেক্টের অধিকর্তা ড. পল্লব দে, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষী, ক্রেতা, পরিবশ বান্ধব ব্যবসা উদ্যোগী ও আরো অনেকে।
