প্রথম পাতা খবর এসআইআর নির্দেশিকা নিয়ে চরম বিভ্রান্তি, ফরাক্কায় প্রায় ২০০ বিএলওর গণইস্তফা

এসআইআর নির্দেশিকা নিয়ে চরম বিভ্রান্তি, ফরাক্কায় প্রায় ২০০ বিএলওর গণইস্তফা

41 views
A+A-
Reset

সকালে-বিকেল-রাত—প্রতিমুহূর্তে বদলে যাচ্ছে এসআইআর সংক্রান্ত নির্দেশিকা। এই অবস্থায় কাজ করা কার্যত অসম্ভব বলে অভিযোগ তুলে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা ব্লকে কর্মরত প্রায় ২০০ জন বিএলও গণইস্তফা দিয়েছেন। বিক্ষোভরত বিএলওদের দাবি, যে তথ্য ভোটারদের কাছ থেকে চাওয়া হচ্ছে, তাতে বহু বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকী সন্তানসংখ্যা নিয়ে চরম অসঙ্গতির অভিযোগও উঠেছে—চার সন্তানের বদলে ছয় সন্তান দেখিয়ে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে দাবি।

জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিএলওদের জমা দেওয়া গণইস্তফাপত্র এখনও গৃহীত হয়নি। ফলে সমস্ত বিএলওকেই তাঁদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবে মাঠপর্যায়ে ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। এসআইআর প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই একাধিক অভিযোগ উঠেছে এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস

বিক্ষোভরত বিএলওদের অভিযোগ, ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর সার্ভারে ত্রুটির কারণে ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার তথ্য মিলছে না। তার পাশাপাশি বিএলওদের ব্যবহৃত অ্যাপও ঠিকমতো কাজ করছে না। এক বিএলও জানান, এসআইআর শুরুর প্রথম পর্বে কেবল অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত ও মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার কথা বলা হলেও এখন প্রতিদিন নতুন নতুন কাজ চাপানো হচ্ছে—তাও কোনও প্রশিক্ষণ ছাড়াই, শুধুমাত্র হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশিকা পাঠিয়ে।

আরও এক বিএলওর দাবি, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বহু ভুল ছিল, যা পরবর্তী সময়ে আইন মেনে সংশোধন করা হয়। এখন পুরনো নথি দেখাতে না পারলে অনেকের নাম বাদ পড়বে—এই আশঙ্কাই তাঁদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। নির্দেশিকা বদলের এই ধারা চলতে থাকলে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আরও বড় বিতর্ক তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.