প্রথম পাতা খবর আজ রথযাত্রা, পুরীর মন্দিরে আজ ভক্তদের জনসমুদ্র

আজ রথযাত্রা, পুরীর মন্দিরে আজ ভক্তদের জনসমুদ্র

445 views
A+A-
Reset

আজ ভক্তদের জনসমুদ্র। গত দু’বছর অতিমারীর জেরে একগুচ্ছ বিধি-নিষেধের মধ্যে থেকে রথযাত্রা উৎসব পালন করা হয়েছিল পুরীতে। জগন্নাথদেব, সুভদ্রা এবং বলরামকে চাক্ষুস করে রথের রশিতে টান দিতে দেশ-বিদেশ থেকে ভক্তরা ছুটে আসেন এই শ্রীক্ষেত্রে।

আজ থেকে শুরু হবে রথযাত্রা। এই উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে ওড়িশা পুলিশ।

সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কায় বাইরের কারও পুরীতে প্রবেশে ছিল নিষেধাজ্ঞা। তবে এবার তেমন বিধি-নিষেধ নেই। সাড়ম্বরে রথযাত্রা উৎসব পালনে মুখিয়ে রয়েছেন প্রত্যেকে। ওড়িশার বিভিন্ন প্রান্ত ছাড়াও দেশের একাধিক রাজ্য থেকে পুন্যার্থীদের ভিড় পুরীতে। প্রভু জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার রথযাত্রা ঘিরে প্রবল উন্মাদনা সমুদ্র নগরীতে।

ঐতিহ্য অনুসারে, ভগবান জগন্নাথ শ্রীহরি হলেন ভগবান বিষ্ণুর অন্যতম প্রধান অবতার। জগন্নাথের রথের নির্মাণ ও নকশা অক্ষয় তৃতীয়া থেকে শুরু হয়। বসন্ত পঞ্চমী থেকে শুরু হয় কাঠ সংগ্রহের কাজ। রথের জন্য কাঠ বিশেষ বন দশপল্লা থেকে সংগ্রহ করা হয়।

 কথিত আছে, এটিই জগন্নাথ দেবের মাসির বাড়ি। পুরীর মন্দির থেকে রথ যাত্রা বেরিয়ে থামে এই গুণ্ডিচা মন্দিরেই। একটানা সাত দিন এই গুণ্ডিচা মন্দিরেই বোন সুভদ্রা ও ভাই বলভদ্রকে নিয়ে থাকবেন প্রভু জগন্নাথ। তারপর আবার তাঁরা ফিরে আসবেন পুরীর শ্রীমন্দিরে। জগন্নাথ দেবের রথের নাম নন্দীঘোষ। যে দড়িটি দিয়ে প্রভু জগন্নাথের রথ টানা হয় তার নাম শঙ্খচূড় নাগিনী। বলভদ্রের রথের নাম হল তালধ্বজ এবং এই রথের রশি বাসুকী নাগ নামে পরিচিত। অন্যদিকে, সুভদ্রা দেবীর রথের নাম দেবদলন, ও এই রথের রশি স্বর্ণচূড় নাগ নামে পরিচিত।

আরও পড়ুন :

বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে ভিজছে কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকা

বিজেপির সমর্থনে মহারাষ্ট্রের নতুন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে

আগামীকাল ইসকন রথের দড়ি টেনে উৎসবের সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.