ডেস্ক: কথায় বলে রাজনীতিতে চির শত্রু বলে কিছু হয় না, যে তৃণমূলকে তুলোধোনা করতেন বাবুল সুপ্রিয়। তৃণমূলকে রীতিমতো ধুয়ে দিয়ে গান বেঁধে তা নিয়ে প্রচারও করেছিলেন তিনি। সেই বাবুল সুপ্রিয় শনিবাসরীয় দুপুরে ঘাসফুলের উত্তরীয় তুলে নিলেন কাঁধে। শনিবার ক্যামার স্ট্রিটের অফিসে রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের সঙ্গে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন বাবুল। বলেন, “আমি প্রথমেই খুব স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই। আমি রাজনীতি ছাড়ার যে কথা বলেছিলাম, সেটা পুরোপুরি হৃদয় থেকেই বলেছিলাম। বাঙালি হিসেবে বাংলার জন্য কাজ করতে চাই।
গত ৪ দিনে যা ঘটার ঘটেছে। ডেরেকের সঙ্গে মেয়ের স্কুলে ভর্তি হওয়ার বিষয়ে কথা হয়। তারপর দিদি ও অভিষেকের সঙ্গে কথা হয় আমার। রাজনীতিতে ফের কাজ করার সুযোগ পরির নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।’ঘটনার সম্মুখীন হয়ে মানুষ একটা সিদ্ধান্ত নেয়। নাটক ছিল না। তার পরের দিন বাংলো ছাড়ার চিঠি। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছেড়েছি। আমি জানি, এটা বিরাট সুযোগ। কী সেটা বলছি না। সেটা দল বলবে।
আরও পড়ুন: ভবানীপুরের ভোটের আগে বড় ধাক্কা খেল বিজেপি, তৃণমূলে যোগ দিলেন বাবুল সুপ্রিম
আসানসোলের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেব। আমি খুব একটা খারাপ কাজ করিনি। কখনও ভাবিনি রাজনীতির বাইরের লোক। আমি যখন তৃণমূলে যোগ দিয়েছি। বিজেপির আসন ধরে রাখার প্রশ্নই নেই। নীতি ও বিধি মেনে চলব। সোমবার দিদির সঙ্গে দেখা করছি। ওঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। অভিষেক ও মমতাদির পক্ষ থেকে আমার উপর বিরাট আস্থাও দেখানো হয়। আমার পারিপার্শ্বিক সকলেই আমার রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিল। আবেগতাড়িত হয়ে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই যে ভুল হবে তার কোনও মানে নেই। কিন্তু আমি গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমি আগের সিদ্ধান্ত বদল করছি। আমি একটা বড় সুযোগ গ্রহণ করছি বাংলার মানুষকে সেবা করার। আমি অত্যন্ত উচ্ছসিত।”