মোবাইল চুরির সন্দেহে ১৪ বছরের এক কিশোরকে উল্টো করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়, দেওয়া হয় ইলেকট্রিক শক। এই ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনায় উত্তাল হয়েছে বাংলা। ধরা পড়েছে মূল অভিযুক্ত-সহ মোট পাঁচজন। কিন্তু এখনও খোঁজ মেলেনি সেই কিশোরের।
সন্তোষপুরের একটি জিন্স কারখানায় ঘটে ঘটনাটি। মাস দেড়েক আগে ইসলামপুর থেকে এসে কাজ শুরু করেছিল ওই কিশোর। অভিযোগ, কারখানার মালিকের মোবাইল চুরির সন্দেহে তাকে নির্যাতন করা হয়। ভাইয়ের উপর হওয়া এই নির্যাতনের সময় তার দাদাও মার খায়, তবে পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, কিশোরটিকে উল্টে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, দেওয়া হচ্ছে শক। ভিডিওর সত্যতা এখনও যাচাই হয়নি। তবে সেই সূত্র ধরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। প্রথমে দুই কর্মীকে গ্রেফতার করে রবীন্দ্রনগর থানার পুলিশ। পরে মুম্বই থেকে ধরা হয় কারখানার মালিক শাহেনশাহকে। গ্রেফতার হয় তার দাদা ফিরোজ আলম ও নাবালক ভাগ্নেও।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে নানা অসঙ্গতি উঠে আসছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কেউই স্পষ্ট করে বলছে না, নির্যাতনের পর ওই কিশোরকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ফলে এখন এলাকায় পুকুর, খাল, নদী— সর্বত্র তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
মুম্বইয়ে ধৃতদের আদালতে তোলা হয়েছে। আগামীকাল তাদের কলকাতায় নিয়ে আসা হবে। এখনও পর্যন্ত কিশোরের কোনও খোঁজ না মেলায় উদ্বেগ বাড়ছে প্রতিনিয়ত।