প্রথম পাতা খবর ‘এম ফ্যাক্টর’-এ ভরসা তৃণমূলের, প্রথম দফার পরই বাড়তি আসনের দাবি শাসক শিবিরে

‘এম ফ্যাক্টর’-এ ভরসা তৃণমূলের, প্রথম দফার পরই বাড়তি আসনের দাবি শাসক শিবিরে

8 views
A+A-
Reset

প্রথম দফার ভোটের পরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে ফলাফল নিয়ে জোর জল্পনা। বিজেপি নেতারা যেখানে ১১০ থেকে ১২৫ আসনের দাবি করছেন, সেখানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও সমানভাবে আত্মবিশ্বাসী। তাদের দাবি, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই প্রমাণ করছে যে ফল তাদের পক্ষেই যাবে এবং আগের চেয়েও বেশি আসন পেতে পারে তারা।

তৃণমূলের এই আত্মবিশ্বাসের মূল ভিত্তি তথাকথিত ‘এম ফ্যাক্টর’। এর প্রথম উপাদান মহিলা ভোট। শাসকদলের দাবি, প্রথম দফায় বিপুল সংখ্যক মহিলা ভোটার ভোট দিয়েছেন এবং সেই ভোটের বড় অংশই তাদের পক্ষে গেছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, সবুজ সাথীর মতো প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের কাছে পৌঁছনোর সুফল এবার ভোটে মিলবে বলেই মনে করছে দল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘরের মেয়ে’ ভাবমূর্তিও এই সমর্থনকে আরও মজবুত করেছে বলে তাদের ধারণা।

দ্বিতীয় ‘এম’ হল সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বেশি ভোটদানের হার তৃণমূলের আশা বাড়িয়েছে। শাসকদলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়া এবং বিজেপির কিছু নীতিগত অবস্থানের কারণে সংখ্যালঘু ভোটারদের বড় অংশ তাদের দিকেই ঝুঁকবে। যদিও বাম-কংগ্রেস বা অন্য কিছু দলের প্রভাব কিছু ক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে, তবু সামগ্রিকভাবে তা খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না বলেই তাদের বিশ্বাস।

তৃতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘এম’ হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। তৃণমূলের মতে, রাজ্যে এখনও তাঁর মতো গ্রহণযোগ্য মুখ বিরোধীদের কাছে নেই। ফলে ভোটারদের বড় অংশ তাঁর নেতৃত্বেই আস্থা রাখবেন। এর পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিকদের বড় অংশের ভোটদানে অংশগ্রহণকেও নিজেদের পক্ষে ইতিবাচক বলে দেখছে দল। তবে ভোটের হার বৃদ্ধি নিয়েও আলাদা ব্যাখ্যা দিয়েছে তৃণমূল। তাদের দাবি, ভোটের শতাংশ বেড়েছে মূলত ভোটার তালিকা থেকে মৃত বা স্থানান্তরিত নাম বাদ যাওয়ার কারণে। প্রকৃত ভোটসংখ্যা খুব বেশি বাড়েনি বলেই তারা মনে করছে। সব মিলিয়ে শাসকদল আত্মবিশ্বাসী—ফলাফল আগের থেকেও ভালো হবে। এখন নজর ৪ মে, যখন স্পষ্ট হবে এই অঙ্ক কতটা বাস্তবের সঙ্গে মেলে।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.