রাজ্যের স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পে শিক্ষাঋণ প্রদান নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে জানান, এ প্রকল্পের আওতায় এক লক্ষের বেশি ছাত্রছাত্রী শিক্ষাঋণ পেয়েছেন।
২০২১ সালে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে এ প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। সহজ শর্ত, কম সুদ এবং দ্রুত অনুমোদনের জন্য শুরু থেকেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। এতে ৪ শতাংশ সরল সুদে সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যায়।
শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও এদিন এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, মুখ্যমন্ত্রীর লক্ষ্য ছিল—অর্থনৈতিক কারণে রাজ্যের প্রান্তিক ছাত্রছাত্রীরা যেন উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হন। সেই উদ্দেশ্যে গত কয়েক বছরে রাজ্যে ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৩৩টি সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। একই স্বপ্নের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রকল্প চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা মোট ৩,৭৯৪ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার শিক্ষাঋণ পেয়েছেন। দেশের পাশাপাশি বিদেশেও বহু শিক্ষার্থী কোনও আর্থিক চাপ ছাড়াই উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে পারছেন।
এদিকে, একই দিনে শুরু হয়েছে বিবেকানন্দ মিনস কাম মেরিট স্কলারশিপ–এর আবেদন প্রক্রিয়া। মাধ্যমিক উত্তীর্ণ থেকে পিএইচডি স্কলার—সব স্তরের মেধাবী ও আর্থিকভাবে দুর্বল শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত পূরণ করলেই পাওয়া যাবে সরকারি এই আর্থিক সহায়তা।
রাজ্য সরকারের দাবি, শিক্ষা ক্ষেত্রে সামগ্রিক উন্নয়ন এবং ছাত্রছাত্রীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই দুই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।