দীপাবলি ও ধনতেরসের আগে ঘি ও মাখনের দাম বাড়াল আমুল। বুধবার, ৪ নভেম্বর থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। সংস্থার এই সিদ্ধান্তে ঘরোয়া রান্না থেকে শুরু করে মিষ্টি তৈরি—সব ক্ষেত্রেই খরচ বাড়তে পারে।
আনন্দবাজার পত্রিকা এবং দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমুলের এক কেজি ঘিয়ের কার্টনের দাম ৫০ টাকা বেড়েছে। আগে দাম ছিল ৬৩০ টাকা, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৬৮০ টাকা। ৫০০ গ্রাম পিওর ঘিয়ের প্যাকেটের দাম ৩২৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৪৫ টাকা।
মাখনের দামও বাড়ানো হয়েছে। ১০০ গ্রামের প্যাকেটের দাম ৬৩ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৬ টাকা। ৫০০ গ্রামের প্যাকেটের দাম ৩১০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩২৫ টাকা।
নতুন দাম এক নজরে
| পণ্য | আগের দাম | নতুন দাম |
|---|---|---|
| আমুল ঘি, ১ কেজি | ₹৬৩০ | ₹৬৮০ |
| আমুল পিওর ঘি, ৫০০ গ্রাম | ₹৩২৫ | ₹৩৪৫ |
| আমুল মাখন, ১০০ গ্রাম | ₹৬৩ | ₹৬৬ |
| আমুল মাখন, ৫০০ গ্রাম | ₹৩১০ | ₹৩২৫ |
কেন বাড়ল দাম?
দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উৎসবের মরশুমে ঘিয়ের চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং কয়েকটি বাজারে সরবরাহের ঘাটতির খবর মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম প্রেক্ষাপট। গুজরাত ও রাজস্থানে ভেজাল ঘি উদ্ধারের পর ক্রেতাদের একাংশ পরিচিত ব্র্যান্ডের পণ্যের দিকে ঝুঁকেছেন বলেও ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সরবরাহের সমস্যার প্রকৃত কারণ সব বাজারে এক নয়। তাই এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব অঞ্চলভেদে আলাদা হতে পারে।
উৎসবের আগে ঘি ও মাখনের মতো নিত্যব্যবহার্য দুগ্ধজাত পণ্যের দাম বাড়ায় মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির খরচ কিছুটা বাড়বে। বিশেষ করে দীপাবলি ও ধনতেরস উপলক্ষে মিষ্টি ও অন্যান্য খাবার তৈরির সময়ে এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়তে পারে।