লোকসভায় জিএসটি প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবারের ভাষণে অভিষেক যে অভিযোগ তুলেছিলেন, বুধবার তা খারিজ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তাঁর দাবি, দুধ, শিশুর ডায়াপার কিংবা শিক্ষাসামগ্রীতে কোনও জিএসটি নেওয়া হয় না এবং অভিষেক সত্যকে ‘বিকৃত’ করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে সমাজমাধ্যমে পাল্টা জবাব দেন অভিষেক। তিনি লেখেন, ‘‘তাজা তরল দুধে জিএসটি নেই। কিন্তু গুঁড়ো দুধে পাঁচ শতাংশ জিএসটি রয়েছে।’’ একই সঙ্গে দাবি করেন, গ্রাফ পেপার, ল্যাবরেটরি নোটবুক ও ক্রেয়নে ১২ শতাংশ জিএসটি ধার্য রয়েছে।
স্বাস্থ্য পরিষেবা জিএসটিমুক্ত বলে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানালেও অভিষেকের বক্তব্য, অক্সিজেন সিলিন্ডারে ১২ শতাংশ, ইনসুলিনে পাঁচ শতাংশ এবং অ্যানাস্থেশিয়ায় ১২ শতাংশ জিএসটি নেওয়া হয়। ধূপকাঠিতেও পাঁচ শতাংশ জিএসটি রয়েছে বলে দাবি তাঁর।
সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত তালিকায় শিশুর ন্যাপকিনে ১৮ শতাংশ, শিক্ষাসামগ্রীতে ১২ শতাংশ এবং ব্রডব্যান্ডে ১৮ শতাংশ জিএসটির উল্লেখ করেছেন তিনি। পাশাপাশি পেট্রল ও ডিজ়েলে লিটারপিছু করের পরিমাণও তুলে ধরেন।
অভিষেকের অভিযোগ, জিএসটি আইনের ভাষ্য ও সাধারণ মানুষের বাজারের বিলের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এই ইস্যু ঘিরে কেন্দ্র ও তৃণমূলের রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।