ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভার ঠিক আগেই কলকাতায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। গিরিশ পার্ক এলাকায় রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অভিযোগ, বিজেপি সমর্থকেরা তাঁর বাড়িতে ইট ছুড়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। সেই হামলায় আহত হন স্বয়ং মন্ত্রী শশী পাঁজা।
তৃণমূলের দাবি, হামলার সময় শশী পাঁজার পিঠে ইটের আঘাত লাগে। আহত অবস্থাতেই শনিবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে হাজির হন তিনি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন ছুড়ে দেন শশী পাঁজা। তাঁর কথায়, “এটাই কি আপনার নারী সুরক্ষার গ্যারান্টি?”
এই সাংবাদিক বৈঠকে শশী পাঁজার পাশে ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ। তাঁরা অভিযোগ করেন, বিজেপি রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছে। ব্রিগেডের সভার আগে এই ধরনের ঘটনা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেও দাবি করেন তৃণমূল নেতারা।
ব্রাত্য বসু বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সহিংসতার কোনও জায়গা নেই। রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু মন্ত্রী বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বাড়িতে হামলা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সাংসদ সায়নী ঘোষও বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চাইছে বিরোধীরা। প্রধানমন্ত্রী যখন রাজ্যে সভা করতে এসেছেন, তার আগেই এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালিয়েছে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।