মিনাখাঁর তৃণমূল বিধায়ক ঊষারানি মণ্ডল ও তাঁর স্বামী মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডলের উপর হামলার অভিযোগ উঠল বৃহস্পতিবার রাতে। কালীপুজো উপলক্ষে হাড়োয়ায় একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ঊষারানি। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে তাঁকে ও তাঁর অনুগামীদের আক্রমণ করে একদল দুষ্কৃতী। হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় কয়েকজন অনুগামী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
উষারানির স্বামী মৃত্যুঞ্জয় বলেন, “থানায় কালীপুজো হয়েছিল। সেখানে নিমন্ত্রণ ছিল আমাদের। সেখান থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ ১০০-২০০ জন লোক আক্রমণ করে। বিধায়কের গাড়িতে ইঁট মারে ওরা। বিধায়ককে টেনে নামিয়ে পায়ে ব্যাটনের বাড়ি মারে। জখম হয়েছে তাঁর ডান পা। । রক্তাক্ত হয়।”
এই ঘটনার নেপথ্যে শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ, এই হামলার মূল হোতা হাড়োয়ার তৃণমূল নেতা খালেক মোল্লা। রাতেই হাড়োয়া থানায় এই ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ঊষারানি। খালেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। তবে খালেক মোল্লা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।
সংবাদ মাধ্যমের কাছে খালেক বলেন, ‘‘ঊষারানি যা বলছে, সম্পূর্ণ মিথ্যা। উনি নিজেই সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে এসেছিলেন। আমাদের পঞ্চায়েতের প্রধান মল্লিকা মণ্ডল এবং তাঁর লোকজনের উপর হামলা চালিয়েছেন। গুলিও চালানো হয়েছে। লোকসভা ভোটে নিজের বুথে হেরেছেন, বিধায়ক এখন কোণঠাসা। হাড়োয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর সভায় তিনি আসেননি। বিজেপির সঙ্গে আঁতাত রয়েছে ওঁর। তাঁর লোকজন এখন দল থেকে বহিষ্কৃত। তাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের উপর দোষ দিচ্ছেন।’’