ফের এক বার পিছিয়ে গেল ভবানীপুর উপনির্বাচন মামলার শুনানি। স্বস্তিতে রাজ্য?
ডেস্ক: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচনে। করোনা পরিস্থিতিতে প্রচারের বহর কমলেও দিন যত এগোচ্ছে একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার চেষ্টা প্রবল হচ্ছে ততই। অন্য দিকে, সোমবার ফের এক বার ভবানীপুর উপনির্বাচন মামলার শুনানি পিছোল কলকাতা হাইকোর্টে।
ভবানীপুরে উপনির্বাচন হতে চললেও, তা বাকি রয়েছে আরও চারটি কেন্দ্রে। শুধুমাত্র ভবানীপুরের ভোট ঘোষণায় অনিয়ম দেখছে বিজেপি। বিশেষ করে, ভবানীপুরের উপনির্বাচন নিয়ে নির্বাচন নিয়ে কমিশনকে লেখা মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর লেখা চিঠির বয়ান ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত। এ বিষয়েই হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়।
সেই মামলাতেই দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দিয়ে আদালত গত সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মামলাকারীর উদ্দেশে প্রশ্ন তুলেছিল, এত দিন কেন আসেননি? ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের বেঞ্চ বলে, “সাধারণ নির্বাচন এবং উপনির্বাচন এক নয়। এ ছাড়াও প্রশ্ন করেন, নোটিফিকেশনের এত পরে কেন মামলা? কেন আগে আসেননি”?
[আরও পড়ুন: আহা কী আনন্দ…, নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর গেয়ে উঠলেন বাবুল সুপ্রিয়]
এ দিন ফের সেই মামলার শুনানি হয়। এ দিনও আদালত নিজের অবস্থানেই অনড় থাকে। ফলে কলকাতা হাইকোর্টে ফের পিছোল মামলার শুনানি। পরবর্তী শুনানি আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর।
[আরও পড়ুন: লক্ষ্য জয়ের মার্জিন বাড়ানো, মঙ্গলবার থেকেই ভবানীপুরে জোর প্রচার মমতার]
প্রসঙ্গত, ভবানীপুর উপনির্বাচনে তৃণমূলপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আসনে বিজেপি এবং বামফ্রন্ট প্রার্থী করেছে যথাক্রমে প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল এবং শ্রীজীব বিশ্বাস। হাতে রয়েছে আর দিন দশেক। প্রত্যেক প্রার্থীই ইতিমধ্যে মনোনয়ন জমা করে নিজেদের মতো প্রচারে নেমে পড়েছেন।