Deprecated: Creation of dynamic property Penci_AMP_Post_Template::$ID is deprecated in /home/ndn4dljdt13e/public_html/newsonly24.com/wp-content/plugins/penci-soledad-amp/includes/class-amp-post-template.php on line 46

Deprecated: Creation of dynamic property Penci_AMP_Post_Template::$post is deprecated in /home/ndn4dljdt13e/public_html/newsonly24.com/wp-content/plugins/penci-soledad-amp/includes/class-amp-post-template.php on line 47
বাম আমলেও নিয়োগ দুর্নীতি? তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ দে-র বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের - NewsOnly24

বাম আমলেও নিয়োগ দুর্নীতি? তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ দে-র বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

কলকাতা: নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে এবার অস্বস্তি বাড়ল বাম শিবিরের। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জমানায় তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ দে-র বিরুদ্ধে অনৈতিকভাবে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে তদন্তের সবুজ সংকেত দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার একটি মামলার প্রেক্ষিতে বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন, সরকারি কোষাগারের টাকা এভাবে অনৈতিকভাবে বিলি করা যায় না। রাজ্য সরকার চাইলে এই ঘটনার সত্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করতে পারে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট: মামলাটির সূত্রপাত ২০১২ সালে। বর্তমান রাজ্য সরকার ক্ষমতায় আসার এক বছর পর বিকাশ ভবনের বিভাগীয় সহকারী পদ থেকে তিথি অধিকারী নামে এক কর্মীকে বহিষ্কার করে। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিথিদেবী। কিন্তু বুধবার সেই মামলা খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি চট্টোপাধ্যায় জানান, ২০০৭ সালে সর্বশিক্ষা মিশনের চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে যোগ দেওয়া ওই মহিলার নিয়োগ প্রক্রিয়াটিই ছিল আগাগোড়া ত্রুটিপূর্ণ এবং প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে পুষ্ট।

আদালতের পর্যবেক্ষণ: আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে কাজে গাফিলতির অভিযোগে তিথি অধিকারীর চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে অস্বীকার করে দফতর। এরপরই তিনি তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ দে-র সরাসরি দ্বারস্থ হন। অভিযোগ, ২০১০ সালের ৫ অক্টোবর মন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রভাবে কোনো নিয়ম না মেনেই তাঁকে বিকাশ ভবনে বিভাগীয় সহকারী হিসেবে নিয়োগ করা হয়। তাঁর বেতন মেটানো হতো সর্বশিক্ষা মিশনের তহবিল থেকে।

বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায় তাঁর নির্দেশে স্পষ্ট উল্লেখ করেন যে, পদটিতে নিয়োগের নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া থাকলেও তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করে ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে চাকরি দিয়েছেন। আদালতের কড়া মন্তব্য, “সরকারি তহবিল থেকে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী কীভাবে এই নিয়োগ করলেন, তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্ত হলে এমন আরও অনেক নিয়োগের সত্যতা সামনে আসতে পারে।”

তদন্তের পথ প্রশস্ত: আদালত এদিন জানিয়ে দিয়েছে, জনস্বার্থ এবং সরকারি অর্থের অপচয় রুখতে রাজ্য সরকার এই অনৈতিক কাজের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে পারবে। উল্লেখ্য, বর্তমান নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি, তখন বাম আমলের এই নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার রায় নতুন মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Related posts

বিজেপি ছেড়ে ঘাসফুলে বিষ্ণুপ্রসাদ, পাহাড়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ?

বিনয় কোঙারের ছেলের পোস্টে সিপিএমে বিদ্রোহের সুর, সুর মিলিয়ে নেতৃত্বকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ নিচুতলার

রামকৃষ্ণদেবকে ‘স্বামী’ সম্বোধন প্রধানমন্ত্রীর, জন্মতিথির শ্রদ্ধাবার্তায় ‘ভুল’, কটাক্ষ তৃণমূলের