ডেস্ক: রাজ্যের ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের প্রতিবাদ জানাতেই অনুমতির তোয়াক্কা না করে আজ পুর-অভিযানে পথে নেমেছে বিজেপি। মিছিলে রয়েছেন রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ, জয়প্রকাশ মজুমদার, রাজু বন্দোপাধ্যায়। চারিদিক দিকে গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। অলি-গলি এমনভাবে বদ্ধ রাখা হয়েছে, যাতে কোনও মতে বিজেপি সমর্থকরা লেনিন সরণীতে প্রবেশ করতে না পারে। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউর হিন্দুস্তান বিল্ডিংয়ের কাছে বিজেপির মিছিল আটকে দিয়েছে পুলিশ। হিন্দুস্তান বিল্ডিংয়ের সামনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি।
বিজেপি নেতা-কর্মীদের আটক করে লালবাজারে বাসে করে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। সরকারের সমালোচনায় দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, সায়ন্তন বসু সহ বিজেপি নেতারা।রাস্তায় বসে পড়ে প্রতিবাদ অগ্নিমিত্রার। মিছিলে লাঠি চার্জ শুরু হয়েছে। একটা অংশ ভেঙে এগিয়ে যেতে পারলেও বাকিদের গ্রেফতার করল পুলিস। কার্যত বচসা শুরু হয়েছ। তৎপর রয়েছে কলকাতা পুলিস।
এরপরই মিছিলকে ছত্রখান করতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিধায়ক মিহির গোস্বামী, বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু-সহ একাধিক বিজেপি নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফলে মিছিলের সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার আর কেউই এই মুহূর্তে এই। কার্যত বিজেপির পুরসভা অভিযানকে ‘শেষ’ বলেই ধরে নিচ্ছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই হিন্দ সিনেমা সংলগ্ন আরএসএম স্কোয়ারের গার্ডরেলও তুলে নিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:উত্তপ্ত হতে চলেছে বাদল অধিবেশন, সংসদের বাইরে বিক্ষোভ দেখাবে কৃষকেরা
মিছিল থেকে দিলীপ ঘোষের বার্তা, “আমরা ভেবেছিলাম সরকারকে কাজ করতে দেব। আমরাও তো বিরোধী হিসাবে শক্তিশালী। কিন্তু সরকার যে ভাবে জনবিরোধী কাজ করছে তা মানা যায় না। ভ্যাকসিন লুঠ করছে, ভুয়ো ভ্যাকসিন দিচ্ছে। রাজ্যজুড়ে হিংসা করছে। আমরা প্রতিবাদে নামতে বাধ্য হয়েছি। পুলিশ এখন সরকার ও পার্টি চালাচ্ছে। আমরা আজ বিধায়ক, সাংসদ সকলে পথে নেমেছি।”
আমরা কোনও বিক্ষোভের পক্ষে ছিলাম না। করোনাকালে মানুষের গায়ে বিষ ঢুকিয়ে দিলে তাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠাতেই হবে। আমরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখাচ্ছি। কিন্তু পুলিশ ভয় পাচ্ছে। তাই আটকাচ্ছে।