ডেস্ক: পঞ্চমীর রাতে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের সিতাই। চলল গুলি। মৃত্যু হয়েছে ২ তৃণমূল কর্মীর। গুরুতর জখম আরও ৫ জন। ঘটনায় রাতভর চলে ধরপাকড়। গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে রাতেও উত্তপ্ত ছিল ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের দিনহাটার গীতালদহ। রাতভর ধরপাকড় চালিয়েছে পুলিশ । ইতিমধ্যেই ১১ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে ।
জানা গিয়েছে, কোচবিহারের সিতাই বিধানসভার গীতালদহে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছিল দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। রবিবার তা চরম আকার ধারন করে। সামান্য কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই গোষ্ঠী। একে অন্যের উপর আক্রমণ চালায়। সেই সময়ই চলে গুলি। গুলিবিদ্ধ হন বেশ কয়েকজন।
আরও পড়ুন: ঠাকুর দেখতে বেরোবেন, জেনে নিন কোন দুর্গাপুজো মণ্ডপ কোন মেট্রো স্টেশনের কাছে
এদিকে এই সংঘর্ষ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে কোচবিহারের পুলিশ সুপার সুমিত কুমার জানান, ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের সংলগ্ন মরাকুঠি গ্রামে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বিষয় নিয়ে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের জেরেই সেখানে গুলি চলে। পুলিশ আরও জানায়, সংঘর্ষে জাহাঙ্গির আলম নামক একজনের হাত কাটা গিয়েছে। জখম দিলদাল হুসেন আবার গীতালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। গুরুতর জখম আরও পাঁচজন। তাঁদের নাম দুলাল মিঞা, মিন্টু হক, দিলদার হোসেন, আবাইদুল হক, জাহাঙ্গির আলম। সূত্রের খবর, আহতদের মধ্যে চারজন দিনহাটা হাসপাতালে ভরতি। একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে কোচবিহারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
এদিকে এই সংঘর্ষ নিয়ে তৃণমূলকে পালটা খোঁচা দিতে ছাড়েননি বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায় ‘ওখানে সবই দেশবিরোধী। এটা ওখানকার রাজনীতি। এখন এসব করে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে, যাতে লোকে ভোট দিতে না আসে।’