শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হল পানিহাটির তরুণী নির্যাতন মামলার মূল অভিযুক্ত আরিয়ান খানকে। বুধবার সকালে গল্ফগ্রিনের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ। ধরা পড়েছে তার মা শ্বেতার মাও। তবে এখনও পলাতক শ্বেতা। পুলিশের ধারণা, আরিয়ানের জিজ্ঞাসাবাদ থেকেই তাঁর খোঁজ মিলতে পারে।
আরিয়ানের সঙ্গে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গত পাঁচ দিন ধরে বারবার ঠিকানা বদলাচ্ছিলেন আরিয়ান। মোবাইলের লোকেশন ট্র্যাক করে তাঁর অবস্থান চিহ্নিত হয় গল্ফগ্রিনে। তারপরই তাকে পাকড়াও করা হয়।
প্রসঙ্গত, পানিহাটির এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়ে ফিরে এসে ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ করেন। উঠে আসে হাওড়ার বাকড়ার শ্বেতা-আরিয়ানের নাম। অভিযোগ, মা-ছেলে মিলে পর্নোগ্রাফির ব্যবসা চালাতেন। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজের টোপ দিয়ে মেয়েদের ডেকে এনে জোর করে ভিডিও শ্যুট করাতেন তাঁরা। পানিহাটির তরুণী সেই ফাঁদে পা না দেওয়ায় তাকে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় সে পালাতে সমর্থ হয়। বর্তমানে সাগরদত্ত হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শ্বেতার পেছনে রাজনৈতিক নেতাদের ছায়া ছিল। তাঁকে প্রায়ই বিদেশ যেতে দেখা যেত। পুলিশ সন্দেহ করছে, তিনি বিদেশে পালাতে পারেন। তবে আরিয়ানের গ্রেফতারির পর শীঘ্রই তারও হদিস মিলবে বলে আশাবাদী তদন্তকারীরা।