আইপ্যাকের দফতর ও কর্ণধার প্রতীক জৈন-এর বাড়িতে ইডি হানার প্রতিবাদে এ বার সরাসরি দিল্লির রাজপথে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সামনে, অর্থাৎ কর্তব্য পথের এক নম্বর গেটে শান্তিপূর্ণ ধরনায় বসেন তৃণমূলের আট সাংসদ। কিন্তু সেই প্রতিবাদে বাধা দেয় দিল্লি পুলিশ। বচসার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত সাংসদদের কার্যত চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।
সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ধরনা শুরু হয়। বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন ডেরেক ও’ ব্রায়েন, শতাব্দী রায়, সাকেত গোখলে, মহুয়া মৈত্র, মমতা ঠাকুর-সহ একাধিক হেভিওয়েট সাংসদ। হাতে পোস্টার নিয়ে তাঁরা স্লোগান দেন অমিত শাহ ও ইডি-র বিরুদ্ধে। তৃণমূল সাংসদদের অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশেই ইডি তৃণমূলের দফতরে হানা দিয়ে দলের নথি ও রাজনৈতিক কৌশল চুরি করার চেষ্টা করেছে। ডেরেক ও শতাব্দী স্পষ্ট বলেন, “আমাদের দলের স্ট্র্যাটেজি লুট করতেই এই অভিযান।”
দিল্লি পুলিশের বাধা সত্ত্বেও ধরনা চালিয়ে যাওয়ায় শুরু হয় ধস্তাধস্তি। মহিলা সাংসদদেরও জোর করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সব সাংসদকেই আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল একে গণতন্ত্রের অবমাননা বলে দাবি করেছে। শাসকদলের বক্তব্য, ইডির অপব্যবহার এবং শান্তিপূর্ণ ধরনায় জনপ্রতিনিধিদের উপর পুলিশি পদক্ষেপ কেন্দ্রের ভয় ও অস্থিরতাই প্রকাশ করছে।