৮ দিন হয়ে গেছে উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি এবং মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি রবিবার সুড়ঙ্গ পরিদর্শনের পর বলেছেন যে এখন ৬ ধরনের বিকল্প নিয়ে কাজ চলছে এবং এই অপারেশন সম্পূর্ণ হতে আরও দুই থেকে আড়াই দিন সময় লাগতে পারে।
গত ১২ নভেম্বর, দীপাবলির দিন, প্রায় ৩০ মিটার নির্মীয়মান সুড়ঙ্গটি সিল্কিয়ারার দিক থেকে ধসে পড়ে এবং তারপর থেকে ৪১ জন শ্রমিক সেখানে আটকে রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে যুদ্ধকালীন সময়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। তবে ধসের কারণে বারবার ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকাজ।
টানেলের মধ্যে দীর্ঘসময় ধরে আটকে রয়েছেন ওই শ্রমিকরা। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁদের শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুতর উদ্বেগ বাড়ছে। উদ্ধারকারী দলের আধিকারিকরা রবিবার পাহাড়ের চূড়া থেকে একটি উল্লম্ব গর্ত তৈরি করার চেষ্টা করবেন বলে জানা গিয়েছে। ওই গর্ত দিয়েই আটকে থাকা শ্রমিকদের বের করা আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২২ মিটার ধ্বংস্তূপ ড্রিলিং করার পর চারটি ছয় মিটার দীর্ঘ পাইপ ঢোকানো সম্ভব হয়েছে এবং পঞ্চম পাইপ বসানোর প্রক্রিয়া চলছে। নরম মাটিতে ড্রিলিং করার সময় সে ভাবে কোনো সমস্যা না হলেও কঠিন বাধার সম্মুখীন হলে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর থেকে আনা হয়েছে হাই-পারফরম্যান্স ড্রিলিং মেশিন। গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে ওই মেশিনটি আনার পর উল্লম্ব ড্রিলিং শুরু করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) কর্মকর্তাদের একটি দল এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা ৪১ জনকে উদ্ধারের জন্য ছয় ধরনের বিকল্প পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।