বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই থানার সামনে অসহায় বাবা ও স্বামীদের লাইন। স্থানীয় প্রভাবশালীরাও চলে এসেছেন তাঁদের সঙ্গে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়, থানায়-থানায় এমনই ছবি ধরা পড়ল শেষ ক’দিন! আসলে ব্যাপারটা কী?
জানা যায়, সরস্বতী ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে আর ফেরেনি নাবালিকা কন্যা থেকে গৃহবধূ। বিভিন্ন এলাকায় খোঁজখবর করে জানা যাচ্ছে, প্রত্যেকে ‘পলাতক’। কারও জন্য দাঁড়িয়ে ছিল সাইকেল, আবার কেউ উঠেছে মোটর বাইকে। প্রেমের টানে ঘর ছাড়ার মোক্ষম প্ল্যানিং। নতুন করে বলার নয়, ওই দিনেই ছিল ভ্যালেন্টাইন্স ডে।
সারা রাজ্যে তো বটেই, শুধুমাত্র পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেই প্রেমের টানে পলাতক নাবালিকার সংখ্যা ২৫। গৃহবধূ ও আঠারো পেরনো যুবতী আরও ১০। অর্থাৎ, প্রেমদিবসে ওই জেলাতেই বেপাত্তা ৩৫ যুগল।
বর্তমান সংবাদপত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল সকাল ভূপতিনগর থানায় আটটি ‘নিখোঁজ ডায়েরি’ হয়ে যায়। তার মধ্যে দু’জন গৃহবধূ, একজন সাবালিকা। বাকি পাঁচজনের বয়সই আঠারোর নীচে। ময়নার ব্রজবল্লভপুর গ্রাম থেকে তিন বান্ধবী সরস্বতী পুজো দেখতে বেরিয়ে একসঙ্গে বেপাত্তা। ভূপতিনগর থানার পূর্বচক, পুরুলিয়া, বাহাদুরপুর, গড়বাড়ি-১ ও ২ সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে আটজন ভ্যালেন্টাইন্স ডে সেলিব্রেট করতে গিয়েছিল। তারা আর বাড়ি ফেরেনি। বাহাদুরপুর গ্রামের বছর কুড়ির এক বধূও আছেন। দু’বছর আগে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। পটাশপুর থানা এলাকায় আবার পাঁচজন নাবালিকা নিখোঁজ। নিখোঁজ নাবালিকা ও বধূর সন্ধান পেতে পুলিসকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।