Deprecated: Creation of dynamic property Penci_AMP_Post_Template::$ID is deprecated in /home/ndn4dljdt13e/public_html/newsonly24.com/wp-content/plugins/penci-soledad-amp/includes/class-amp-post-template.php on line 46

Deprecated: Creation of dynamic property Penci_AMP_Post_Template::$post is deprecated in /home/ndn4dljdt13e/public_html/newsonly24.com/wp-content/plugins/penci-soledad-amp/includes/class-amp-post-template.php on line 47
বঙ্গে কত দফায় ভোট? কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যার ওপর ঝুলে রয়েছে সিদ্ধান্ত - NewsOnly24

বঙ্গে কত দফায় ভোট? কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যার ওপর ঝুলে রয়েছে সিদ্ধান্ত

রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ছবি: রাজীব বসু

কলকাতা: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন কত দফায় সম্পন্ন হবে, তা এখন পুরোপুরি নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রাপ্যতার ওপর। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের (CEO) এক শীর্ষ আধিকারিক সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, রাজ্যে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বাহিনীর সংখ্যা বিচার করেই ভোটের দফা চূড়ান্ত করা হবে।

কমিশনের প্রস্তাব ও বাহিনীর অঙ্ক: রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর বাংলায় এক দফাতেই ভোট করানোর পক্ষপাতী এবং সেই মর্মে দিল্লিতে প্রস্তাবও পাঠিয়েছে। তবে বাস্তবের অঙ্কটা বেশ কঠিন। কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে এক দফায় ভোট করাতে হলে প্রায় ২০০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন। ২০২১ সালের নির্বাচনে ১১০০ কোম্পানি বাহিনী দিয়ে সাত দফায় ভোট করানো হয়েছিল। এবার পর্যাপ্ত বাহিনী মিলবে কি না, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

নজরে সাত জেলা ও সংবেদনশীল বুথ: অতীতের ভোট এবং ভোট-পরবর্তী হিংসার ইতিহাস মাথায় রেখে কমিশন রাজ্যের ৭টি জেলার ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে। কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জেলাশাসকদের থেকে সাপ্তাহিক রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। প্রতিটি জেলাকে দ্রুত সংবেদনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ বুথগুলি চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিন দফার সম্ভাবনা: যদিও এক দফার প্রস্তাব রয়েছে, তবে প্রাথমিক আলোচনা অনুযায়ী কমিশন তিনটি দফায় ভোট করার কথা ভাবছে। সেক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এক দফায় এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আরও দুই দফায় নির্বাচন হতে পারে। শুক্রবার কমিশনের সম্পূর্ণ বেঞ্চ একটি বৈঠক করবে, যেখানে এসআইআর (SIR) পরিস্থিতি এবং বাহিনীর মোতায়েন নিয়ে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হতে পারে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য পুলিশ এবারের ভোটের জন্য ৩৫ হাজার কর্মী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে সংবেদনশীল বুথগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

Related posts

নামিবিয়াকে হারাল ভারত, কিন্তু পাকিস্তান ম্যাচের আগে ব্যাটিং নিয়ে চরম উদ্বেগে গম্ভীর

ওপারে ভোট, এপারে নিস্তব্ধতা! বর্ডার বন্ধ থাকায় থমকে গেল কোটি কোটি টাকার আমদানি-রফতানি

লোকসভা বিতর্কে জিএসটি ইস্যু: নির্মলার বক্তব্য খারিজ করে পাল্টা তালিকা দিলেন অভিষেক