প্রথম দফার ভোটে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ভোটারদের পাশাপাশি ভোট দিতে দেখা গেল প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদের। শিলিগুড়ির ১৭৩ নম্বর বুথে সাধারণ মানুষের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব। ভোট দেওয়ার পর তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের হঠাৎ করে অন্যত্র পাঠানো হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।
মালদহের মালতীপুরে ভোট দেন কংগ্রেস প্রার্থী মৌসম বেনজির নূর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস সাংসদ ঈশা খান চৌধুরী। অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভোট দেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি শান্তিপূর্ণ ভোটের আহ্বান জানান এবং নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাকেও স্বীকৃতি দেন।
খড়্গপুরের একটি বুথে ভোট দেন বিজেপি নেতা Dilip Ghosh। ভোট দেওয়ার পর তিনি জানান, পরিস্থিতি আপাতত শান্তিপূর্ণ এবং অযথা ঘোরাফেরা না করাই ভালো। একইভাবে আসানসোল দক্ষিণে ভোট দেন বিজেপি প্রার্থী Agnimitra Paul। অন্যদিকে তৃণমূলের বালুরঘাট প্রার্থী Arpita Ghosh বুথ পরিদর্শনে যান এবং পাণ্ডবেশ্বরে পুজো সেরে ভোট দিতে বের হন তৃণমূল প্রার্থী Narendranath Chakraborty।
এদিন ভোটের আবহে ঝাড়গ্রামে একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে। জিতুশোল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথের কাছে একটি হাতি পৌঁছে যাওয়ায় কিছু সময়ের জন্য চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরে বন দফতরের কর্মীরা পরিস্থিতি সামাল দেন। এছাড়াও মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জে ওয়াকফ হিংসায় নিহতদের পরিবারের সদস্যরাও ভোট দেন, যা এই নির্বাচনে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি করে।
এদিকে ভোটের দিনে নাগরিকদের ভোটদানে উৎসাহ দিতে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi। তিনি বিশেষ করে তরুণ ও মহিলা ভোটারদের বেশি সংখ্যায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। সব মিলিয়ে প্রথম দফার ভোটে সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গণতন্ত্রের উৎসবের ছবি স্পষ্ট।