প্রথম দফার ভোটেই নজির গড়ল পশ্চিমবঙ্গ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার Gyanesh Kumar জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর এই প্রথম রাজ্যে এত বেশি ভোট পড়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ুতেও একই প্রবণতা দেখা গিয়েছে বলে তিনি জানান। দুই রাজ্যের ভোটারদের গণতন্ত্রের এই উৎসবে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য কুর্নিশও জানিয়েছেন তিনি।
প্রথম দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে নজিরবিহীন ভোটদানের হার দেখা যায়। শমসেরগঞ্জ কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৯৫.৩৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। খুব কাছাকাছি রয়েছে ভগবানগোলা, সেখানে ভোটদানের হার ৯৫.৩১ শতাংশ। নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে ৯০.০৩ শতাংশ এবং বহরমপুরে ৮৯.৬০ শতাংশ ভোট রেকর্ড হয়েছে।
জেলার ভিত্তিতে দেখা গেলে দক্ষিণ দিনাজপুরে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে—৯৩.১২ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ভোটদানের হার কালিম্পঙে, যা ৮১.৯৮ শতাংশ। তবে সামগ্রিকভাবে রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই ভোটারদের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো ছিল।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ। সেই রেকর্ড এবার ভেঙে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। জাতীয় স্তরেও এই ফলাফল তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এতদিন পর্যন্ত ভোটদানের হারে শীর্ষে ছিল পুদুচেরি এবং অসম। চলতি নির্বাচনে সেই রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে বাংলার প্রথম দফার ভোট।
তবে গোটা নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটদানের হার কত দাঁড়াবে এবং তা নতুন সর্বভারতীয় নজির গড়বে কি না, তা নির্ভর করছে পরবর্তী দফাগুলির উপর। কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে এখন দ্বিতীয় দফার ভোটের দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।