বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের তরুণ প্রজন্মকে লক্ষ্য করে চালু হওয়া যুবসাথী প্রকল্প রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে। স্বনির্ভর বাংলা শিবিরের প্রথম দিনেই যে সাড়া মিলেছে, তাতে অনেকেই এই প্রকল্পকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মাস্টারস্ট্রোক’ বলেই মনে করছেন।
রবিবার থেকে শুরু হয়েছে স্বনির্ভর বাংলা শিবির। এই শিবিরের মাধ্যমে যুবসাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্তির আবেদন নেওয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, ভূমিহীন কৃষি শ্রমিকদের আর্থিক সহায়তা এবং কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুতের বিল মকুবের আবেদনও গ্রহণ করা হচ্ছে।
তবে প্রত্যাশিতভাবেই সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে যুবসাথী প্রকল্পে। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রথম দিন চারটি প্রকল্প মিলিয়ে ৬ লক্ষেরও বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। তার মধ্যে ৯০ শতাংশেরও বেশি আবেদন শুধুমাত্র যুবসাথীর জন্য। অর্থাৎ, প্রথম দিনেই প্রায় ৫ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে এই প্রকল্পে।
যুবসাথী প্রকল্পে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আগামী এপ্রিল মাস থেকেই এই অর্থ সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করবে।
প্রথম দিনের আবেদন সংখ্যা থেকেই স্পষ্ট, প্রকল্পটি তরুণ সমাজের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি করেছে। নির্বাচনের আগে এই বিপুল সাড়া রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার।