খসড়া ভোটার তালিকায় নাম আছে কি না, আজ থেকেই জানা যাবে! ইসিআইনেট অ্যাপে যাচাইয়ের সুযোগ
রাজ্যের খসড়া ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কি না, তা এখন ইসিআইনেট অ্যাপ ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে এপিক নম্বর দিয়ে যাচাই করা যাচ্ছে। অনলাইন ও অফলাইনে জানুন পদ্ধতি।
রাজ্যের খসড়া ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কি না, তা এখন ইসিআইনেট অ্যাপ ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে এপিক নম্বর দিয়ে যাচাই করা যাচ্ছে। অনলাইন ও অফলাইনে জানুন পদ্ধতি।
মঙ্গলবার প্রকাশিত হচ্ছে বাংলার খসড়া ভোটার তালিকা। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, অ্যাপ ও বিএলওদের কাছ থেকে দেখা যাবে তালিকা। শুনানি শুরু হতে সময় লাগতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের এনুমারেশন পর্ব শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা। প্রাথমিক ভাবে বাদ পড়েছে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম, শুরু হবে শুনানি ও যাচাই।
পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর এনুমারেশন পর্ব শেষে ৫৮ লক্ষের বেশি ভোটার খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়তে চলেছেন। মৃত, নিখোঁজ, স্থানান্তরিত ও ‘ভুয়ো’ চিহ্নিত মিলিয়ে এই সংখ্যা তৈরি হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশ হবে খসড়া তালিকা, চূড়ান্ত তালিকা আসবে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। তিনটি শ্রেণিতে ভোটার যাচাই করছে নির্বাচন কমিশন।
রাজ্যে বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে ইনিউমারেশন পর্ব। ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশ পাবে খসড়া ভোটার তালিকা। ইতিমধ্যেই ডিজিটাইজ হয়েছে ৯৯.৭৫% ফর্ম। রাজ্যে আনম্যাপড ভোটার ২৯ লক্ষ—তাঁদের শুনানিতে হাজির হয়ে পরিচয়পত্র দেখাতে হবে, না হলে নাম বাদ পড়তে পারে। খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছে ৫৭ লক্ষের বেশি নাম।
বহুতল আবাসনে পৃথক বুথ তৈরির পরিকল্পনা থেকে সরে এল নির্বাচন কমিশন। ডিইওদের রিপোর্ট না আসা, রাজনৈতিক আপত্তি ও আবাসনগুলির অনাগ্রহের কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই এই নির্দেশের বিরোধিতা করেছিলেন।
১১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে এসআইআরের এনুমারেশন ধাপ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে—পশ্চিমবঙ্গে ৯৯.৯৭% ফর্ম বিলি সম্পূর্ণ, ডিজিটাইজ়েশন ৯৯.৪৩%। মাত্র ২০ হাজার ফর্ম বিলি বাকি। অন্যদিকে দেশে ডিজিটাইজ়েশনে সবচেয়ে পিছিয়ে উত্তরপ্রদেশ।
ফর্ম-৬ জমা দিয়ে অনলাইনেই নাম তোলার নিয়ম চালু করল নির্বাচন কমিশন। আধার-ওটিপি বাধ্যতামূলক। মৃত ভোটারদের আধার তথ্য যাচাইয়ে কড়াকড়ি।
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম ম্যাপিংয়ে মিলছে না। ২০০২–২০০৬ সালের এসআইআর তালিকার সঙ্গে বর্তমান ভোটার তালিকা মিলিয়ে উঠে এল অমিল।
মমতার ধারাবাহিক অভিযোগের পর তৃণমূলের সঙ্গে বৈঠকে রাজি নির্বাচন কমিশন। ২৮ নভেম্বর ডাকা হয়েছে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলকে। এসআইআর প্রক্রিয়া, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ ও বেসরকারি ভবনকে ভোটকেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।