আত্মসমীক্ষা এবং শতবর্ষে ‘রক্তকরবী’
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘রক্তকরবী’ নাটক প্রকাশের একশ বছর পরেও কেন এত প্রাসঙ্গিক? ক্ষমতা, নজরদারি, কর্পোরেট রাষ্ট্র ও মানুষের প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘রক্তকরবী’ নাটক প্রকাশের একশ বছর পরেও কেন এত প্রাসঙ্গিক? ক্ষমতা, নজরদারি, কর্পোরেট রাষ্ট্র ও মানুষের প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ।
দৃষ্টিহীনতা, দারিদ্র্য ও সামাজিক বঞ্চনাকে জয় করে ২০২৫ টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতকে চ্যাম্পিয়ন করলেন সিমু দাস, দীপিকা টি.সি., ফুলা সরেনরা। এই অনুপ্রেরণার গল্প নতুন বছরে আশার আলো।
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছোটভাই পূর্ণচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং অপর ভাই শচীশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখায় জানা যায়, বঙ্কিমচন্দ্র সম্পাদিত বাংলা মাসিক পত্রিকা ‘বঙ্গদর্শন’-এর জন্য এক সময় কিছু লেখা কম পড়েছিল। পত্রিকার…
অসহিষ্ণুতা ও সহিংসতার এই সময়ে শ্রীশ্রী মা সারদাদেবীর কথামৃত কীভাবে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা ও দায়িত্বশীল সমাজ গঠনের পথ দেখায়—তা নিয়েই এই বিশেষ নিবেদন।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়—বাংলা সাহিত্যের তিন বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম। দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও সংগ্রামের মধ্যেও সৃষ্টি করেছিলেন পদ্মানদীর মাঝি, পুতুলনাচের ইতিকথা–র মতো অমর সাহিত্য। তাঁর জীবনসংগ্রাম, সাহিত্যদর্শন ও ত্যাগ স্মরণে একটি বিশেষ প্রতিবেদন।
শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের বাল্যবন্ধু উমেদ আলির স্মৃতিচারণায় উঠে আসে ঠাকুরের ইসলাম-ভাবনা, উদার মানবিকতা ও ধর্মসাম্যের অসংখ্য অজানা কাহিনি। পড়ুন সেই দুর্লভ ইতিহাস।
নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু ও সিঙ্গাপুরের শিল্পপতি হরগোবিন্দ সিং-এর অজানা ত্যাগ ও দেশপ্রেমের অলিখিত কাহিনি। ১৯৪৩ সালের আজাদ হিন্দ সরকারের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে মালার বিনিময়ে নিজের সব সম্পদ দান করেছিলেন হরগোবিন্দ। নেতাজীর সঙ্গে তাঁর আবেগঘন সাক্ষাৎ আজও ইতিহাসের অন্ধকারে চাপা পড়ে আছে।
আব্বাসউদ্দীন আহমদের জন্মের ১২৫ বছরে তাঁর জীবনদর্শন, লোকসঙ্গীত চর্চা এবং বাংলার সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর ভূমিকার পুনর্নির্মাণ। ভাওয়াইয়া থেকে ভাটিয়ালি—গ্রামবাংলার সুরে যে বিপ্লব তিনি ঘটিয়েছিলেন, আজও তা অনুপ্রেরণা।
ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ জয় শুধু ক্রিকেটে নয়, এটি নারীসত্তার সাহস, আত্মপ্রত্যয় ও জেদের ঐতিহাসিক বিজয়। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের ভাবনায় অনুপ্রাণিত এই জয় লিঙ্গসমতার নতুন অধ্যায় রচনা করল।
ইংরেজ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ভগৎ সিংকে বাঁচিয়েছিলেন বীরাঙ্গনা দুর্গা দেবী। হাওড়া স্টেশনে ইংরেজ সাজে সেই রোমাঞ্চকর অভিযান আজও ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের এক অবিশ্বাস্য অধ্যায়।