পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা। আগামী ১৪ মার্চ অসম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত, তাঁর ওই সফরের পরেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে। সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১৭ মার্চের কথা শোনা যাচ্ছে।
অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। অসমে হয়েছে বিশেষ সংশোধন। বাকি তিন রাজ্যে হয়েছে নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে পরিস্থিতি জটিল। খসড়া তালিকায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছিল। পরবর্তী যাচাইয়ে কিছু নাম ফের যুক্ত হলেও কয়েক লক্ষ নাম নতুন করে বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ৫০ লক্ষ নাম যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। ফলে শনিবার তালিকা প্রকাশ হলেও তা সম্পূর্ণ হবে না বলেই সূত্রের দাবি।
এই প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কোর্ট গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জমা পড়া কিন্তু আপলোড না হওয়া সমস্ত নথি বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের হাতে তুলে দিতে বলা হয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, শুধুমাত্র মাধ্যমিকের প্রবেশপত্র গ্রহণযোগ্য নয়, সঙ্গে শংসাপত্রও জমা দিতে হবে।
৭ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর প্রথম দফার ভোটের জন্য অন্তত ২৮ থেকে ৪২ দিন সময় দিতে হয়। ১৭ মার্চ ঘোষণা হলে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ভোট শুরু হতে পারে। কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত, বাংলায় তিন থেকে সর্বোচ্চ চার দফায় ভোটগ্রহণ হতে পারে।
এরই মধ্যে ১৬ মার্চ দশটি রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভার আসনে ভোট নির্ধারিত হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের অনুমান, সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে।
সব মিলিয়ে এখন নজর ১৪ মার্চের অসম সফর এবং ১৭ মার্চের সম্ভাব্য নির্ঘণ্ট ঘোষণার দিকে।