ভোটের শেষ লগ্নে চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। অভিযোগ উঠেছে, ভোটারের জামার পকেটে স্পাই ক্যামেরা রেখে নজরদারি চালানো হয়েছে, যাতে বোঝা যায় কে কোন দলকে ভোট দিচ্ছেন। ডায়মন্ড হারবারের মগরাহাট পশ্চিম এলাকা থেকে এই গুরুতর অভিযোগ জমা পড়তেই নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন।
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেন কমিশনে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে ফলতা অঞ্চলের ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে কমিশন জানিয়েছে, মগরাহাটের ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে ফের ভোটগ্রহণ হবে।
যদিও ফলতা অঞ্চলে পুনর্নির্বাচনের প্রস্তাব থাকলেও সেখানে পুনরায় ভোটের নির্দেশ দেয়নি কমিশন। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবির প্রশ্ন তুলেছে, এত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন সব প্রস্তাব কার্যকর করা হল না।
অন্যদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, ভোটের দিন ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশের এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকের উপস্থিতির পরেও কেন পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন পড়ল, তা নিয়েও সরব হয়েছে শাসকদল।
আগামীকাল পুনর্নির্বাচনের দিন নির্ধারিত হয়েছে। নতুন করে ভোটগ্রহণকে ঘিরে প্রশাসন নিরাপত্তা আরও কড়া করেছে বলে জানা গেছে।