ডেস্ক: ‘যেদিকেই তাকাচ্ছি ভিড় আর ভিড়, এই ছবি দেখুন দিদি। এই ছবিই বলছে তৃণমূলের খেলা শেষ, বিকাশ শুরু। কাঁথির জনসভা থেকে মমতাকে কটাক্ষ মোদীর। বিকাশ বিজেপির সঙ্কল্প। বাংলা চায় শিক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান, নারী সুরক্ষা, কৃষক সম্মান। বাংলায় দরকার বিজেপি সরকার।
‘আপনার খেলা ধরা পড়ে গেছে। ২ মে মমতাকে দরজা দেখাবে বাংলার মানুষ। বাংলার মানুষ আপনার কুশাসনের জবাব দিতে তৈরি। মা-বোনেরা তৃণমূলকে সাজা দিতে তৈরি।’
সভায় প্রতিটি ছত্রে ছত্রে তৃণমূলকে বাক্য বাণে বিধলেন মোদী। তিনি বলেন, ‘বিজেপি সব স্কিমকে স্ক্যাম থেকে মুক্ত করবে। কাটমানি নয়, বিজেপি সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেবে। করোনাকালে মহিলাদের জন্য কোটি কোটি টাকা দিয়েছে। মহিলাদের জন্য ঘরে ঘরে জল পৌঁছে দিয়েছে। তৃণমূল সরকার এখানে কিছুই করতে দেয়নি।’
‘জনতার আওয়াজ শুনেই বিজেপির ইস্তেহার তৈরি হয়েছে। দেশের আত্মনির্ভরতার অন্যতম ভরকেন্দ্র মেদিনীপুর। দিদির সরকার আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ, ফুড প্রসেসিংয়ের সুবিধে দেয়নি। লোকালের জন্য ভোকাল, এটাই আমাদের সঙ্কল্প। বাংলার কৃষকরা দিদির নির্মমতা ভুলতে পারবেন না’, কাঁথিতে মোদি।’
বাংলার কৃষকদের সঙ্গে শত্রুতা করেছেন দিদি। পিএম কিষাণ প্রকল্পের টাকা আসতে দেননি দিদি। বিজেপি সরকার গড়লেই, ৩ বছরের বকেয়া টাকা পাবেন কৃষকরা। সিন্ডিকেটরাজ মেদিনীপুরকে নষ্ট করে দিয়েছে।
আরও পড়ুন: ১এপ্রিল থেকে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে সকলকে ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
বাংলায় দিদি আপনাদের কোনও হিসেব দিচ্ছেন না। কেউ হিসেব চাইলেই গালি দিচ্ছেন দিদি। দিদির শাসনে বোমা, বন্দুক, বিস্ফোরণের শুব্দই শুনতে পাওয়া যায়। এই ছবি বদলাতে পারে শুধু বিজেপিই।’
এদিন সভায় বহিরাগত ইস্যু তুলে বলেন, তিনি বলেন, ‘রবি ঠাকুর, বঙ্গিমের বাংলায় বহিরাগতদের কথা বলছেন মমতা। আমরা সবাই এই ভারতভূমির সন্তান। এই ভারতে কেউ বহিরাগত নয়। এখানে কোনও ভারতবাসী বহিরাগত নয়।’
বিজেপির একটাই মন্ত্র, গরিবের বাড়ি, গরিবের সম্মান। দিদি একের পর এক মিথ্যে অভিযোগ করে বেড়াচ্ছেন। নন্দীগ্রামের মানুষকে অপমান করছেন দিদি। নন্দীগ্রামের মানুষ এই অপমানের জবাব দেবেন। আমাদের স্বপ্ন, আমাদের সঙ্কল্প সোনার বাংলা।’