ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবার কড়া অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, তথ্যগত অসঙ্গতি বা ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে টাঙাতে হবে এবং শুনানির সময়ে ভোটারদের কাছ থেকে নথি গ্রহণ করলে তার রসিদ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
এই মামলার প্রেক্ষাপটে জানা গিয়েছে, রাজ্যে প্রথমে প্রায় ১.৩৬ কোটি ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই সংখ্যা কমিয়ে ৯৪ লক্ষে নামানো হয়। ওই তালিকা ধরেই ভোটারদের শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছিল। তবে কোন যুক্তিতে এত বিপুল সংখ্যক ভোটারকে তলব করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে একাধিক রাজনৈতিক দল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ও প্রকাশ্যে তালিকা প্রকাশের দাবি জানান।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েত দফতর, ব্লক অফিস ও ওয়ার্ড অফিসে ওই তালিকা টাঙাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। পাশাপাশি প্রতিটি ব্লক অফিসে আলাদা কাউন্টার খুলে সাধারণ মানুষকে নথি জমা ও আপত্তি জানানোর সুযোগ দিতে হবে। এই নির্দেশে এসআইআর প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।