কলকাতা: তৃণমূলের দলীয় প্রতীক কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের মধ্যে টানাপড়েনের আবহেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল কালীঘাট তৃণমূল। আগামী ৬ অক্টোবর এই দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ।
নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী করা হয়েছে সঞ্চিতা প্রধান (দে)-কে। অন্য দিকে, রেজিনগরে প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরী। দুই প্রার্থীকে নির্বাচনী লড়াইয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের বার্তায় বলা হয়েছে, দলনেত্রীর দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখেই দুই উপনির্বাচনে লড়বে দল।
এদিকে সোমবার ঋতব্রত শিবিরের তরফে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
প্রতীক নিয়ে কমিশনে লড়াই
তৃণমূলের দলীয় প্রতীক নিয়ে বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে টানাপড়েন চলছে। রবিবার সকালে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, কমিশন দুই শিবিরকে ১৬ ও ১৭ সেপ্টেম্বর হাজির হওয়ার জন্য বলেছে। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের প্রার্থীরা যথারীতি দলের নিজস্ব প্রতীক নিয়েই উপনির্বাচনে লড়বেন।
রেজিনগরে পুরনো মুখ রবিউল
রেজিনগরে ফের রবিউল আলম চৌধুরীর উপর আস্থা রেখেছে কালীঘাট তৃণমূল। ২০১৩ সালের উপনির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতীকে জিতে প্রথম বার রেজিনগরের বিধায়ক হন তিনি। ২০১৬ সালেও একই আসন থেকে জয়ী হন। পরে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন রবিউল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও জোড়াফুল প্রতীকে রেজিনগর থেকে জয়ী হন তিনি।
মাঠে বাম-কংগ্রেস, প্রার্থী দিয়েছে হুমায়ুন-পুত্রের দলও
ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। নন্দীগ্রামে সিপিআইয়ের প্রার্থী শান্তি গিরি, কংগ্রেসের মিলন প্রধান। রেজিনগরে বামফ্রন্টের প্রার্থী সৈয়দ আসাদ আলি, কংগ্রেসের মহম্মদ আব্দুল্লাহি কাফি। অন্য দিকে, প্রয়াত? নয়—হুমায়ুন কবীরের ছেড়ে যাওয়া আসনে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতীকে লড়ছেন তাঁর পুত্র গোলাম নবি আজাদ। দুই কেন্দ্রেই এখনও বিজেপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি।
অসমেও প্রার্থী কালীঘাট তৃণমূলের
বাংলার দুই বিধানসভা কেন্দ্রের পাশাপাশি অসমের নগাঁও বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও প্রার্থী দিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। সেখানে দলের প্রার্থী আব্দুল সালাম।