পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণের শুরু থেকেই বিক্ষিপ্ত অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। নন্দীগ্রামে পোলিং এজেন্টদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। অন্য দিকে, রেজিনগরে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে গ্রেফতার হয়েছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর।
নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় গিয়ে মিলন প্রধান অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বুথে তাঁর দলের পোলিং এজেন্টদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিজেপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। বিজেপির পাল্টা দাবি, সংশ্লিষ্ট বুথগুলিতে কংগ্রেসের এজেন্টই নেই। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথও ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হচ্ছে বলে দাবি করেছেন।অন্য দিকে, রেজিনগরে ভোট শুরুর পর থেকেই উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন হুমায়ুন কবীর। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। জেলা পুলিশের দাবি, হুমায়ুন প্রার্থী বা এজেন্ট ছিলেন না এবং আইন ভঙ্গের অভিযোগেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রেজিনগরে একাধিক বুথ থেকে এজেন্টদের বার করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। তারা পুনর্নির্বাচনের দাবিও জানিয়েছে। সিপিএমও কয়েকটি বুথে এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ করেছে। নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক অবশ্য জানিয়েছেন, দু’টি কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ছিল। ওই সময় নন্দীগ্রামে ভোট পড়ে ৭১.৭৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৬৯.২৯ শতাংশ।