পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় ১৮৫৭ সাল।২৯শে মার্চ। কলকাতার উপকণ্ঠে ব্যারাকপুর (এখনকার উত্তর ২৪ পরগনা) মিলিটারী ব্যারাকের প্যারেড গ্রাউন্ড। সেদিন সেখানে ঘটেছিল এক ঐতিহাসিক বিদ্রোহ। সেদিন ৩৪তম বেঙ্গল নেটিভ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের অন্যতম সেনা …
প্রবন্ধ
-
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় অবশেষে এল ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সেই অবিস্মরণীয় মুহুর্তের দিন…১৯৪১ সালের শীতকালের ১৭ই জানুয়ারী। একটু আগে পরম প্রিয় জননীকে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেওয়া হয়ে গেছে। মায়ের চোখের জল …
-
প্রবন্ধ
এ বাংলা, এই দেশ মনেই রাখেনি আকাশচুম্বী ব্যক্তিত্বের মহামানব বিপ্লবী হেমচন্দ্র ঘোষ-কে
by newsonlyby newsonlyপঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরুর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করেননি। বিধান রায়কে আশীর্বাদও করেননি। বল্লভভাই প্যাটেলের সঙ্গে কথাও বলেননি…। কণ্ঠস্বর ছিল বজ্রকঠিন বলিষ্ঠতায় পূর্ণ। তিনি কি অহংকারী ছিলেন? না, মানুষটি ছিলেন …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় প্রথম জীবনে গুজরাটের বরোদাতে থাকাকালীন শ্রী অরবিন্দের জীবন ধীরে ধীরে অতি সাধারণ জীবনের অভ্যাসে স্বয়ং অরবিন্দ অভ্যস্ত করেন। পরে কলকাতায় মানিকতলা বোমা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় গীতাঞ্জলির বিশ্বজয়ের আড়ালে যেন অনেকটাই ঢাকা পড়ে যান সমাজের নিত্যদিনের সাধারণ মানুষের কবি,ব্রাত্যজনের কাছের মানুষ,অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো আপোষহীন সত্ত্বার এক অদ্বিতীয় জাগ্রত মানুষ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রাশিয়ার …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় সারা পৃথিবীর সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ২৫ টি বইয়ের মধ্যে অন্যতম বই হোল “আঙ্কেল টম’স্ কেবিন”.. বাংলায় অনুবাদিত নাম হলো.. ” টম কাকার কুটির”। এই বইয়ের লেখিকা হলেন হ্যারিয়েট এলিজাবেথ …
-
প্রবন্ধ
“সাধনা ঔষধালয় ঢাকা”… অধ্যক্ষ যোগেশচন্দ্র ঘোষ এবং এক মর্মান্তিক ইতিহাস
by newsonlyby newsonlyপঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় এপার বাংলা ওপার বাংলা.. দুই বাংলাতেই পথচলতি মানুষ রাস্তার বিভিন্ন জায়গাতে বিভিন্ন সময়ে দেখেছেন বড় বড় হোর্ডিং… তাতে লেখা থাকতো “সাধনা ঔষধালয় ঢাকা” এবং তার পাশেই থাকতো একটি …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে তিনি আত্মহত্যা করতেন। কারণ, যেভাবে গাছপালা, বন-জঙ্গল কেটে নগরায়ন হচ্ছে, আর তার ফলস্বরূপ আজকের এই সময়ে বিশ্বপ্রকৃতির এবং বিশ্বপরিবেশের ভারসাম্য …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় ১৮৪৭ সাল…জানবাজারের রানিমা কাশীতে শ্রীবিশ্বনাথ ও মা অন্নপূর্ণার পুণ্যদর্শন করতে যাবেন, বহুদিনের মনের সাধ, তাই চলছে তারই তোড়জোড়। ২৪টি বড় বড় সাজানো গোছানো বজরায় আত্মীয়-স্বজন, দাসদাসী, খাবারের রসদ, …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় মেয়ে এসেছে বাপের বাড়িতে,সঙ্গে তার ৪বছরের ছেলে। মা-অন্ত প্রান সেই ছেলে। দাদামশাই শ্যামাচরন চট্টোপাধ্যায়(ভট্টাচার্য) সাত্ত্বিক তান্ত্রিক ব্রাহ্মণ..।একদিন পুজোর শেষে নাতিকে ঠাকুরের প্রসাদী বেলপাতা-তুলসীপাতা খেতে দিলেন।কাছেই ছিলেন মেয়ে মানে …