প্রথম পাতা খবর ১০৪ বছরে যা ভারত সেবাশ্রম করেনি, মানুষের কথা ভেবে সে কাজও করল তারা…

১০৪ বছরে যা ভারত সেবাশ্রম করেনি, মানুষের কথা ভেবে সে কাজও করল তারা…

97 views
A+A-
Reset

কলকাতা: করোনা কালে সংকটের দিনে তাঁরা আর্তের পাশে দাঁড়িয়েও শোনাচ্ছেন ভারতের অন্তর আত্মার কথা, সেবাধর্মের কথা। সেই পথ ধরেই এবার অতিমারিতে কার্যত নজির তৈরি করল ভারত সেবাশ্রম। গত ১০৪ বছরে যা ভারত সেবাশ্রম করেনি, মানুষের কথা ভেবে সে কাজও করল তারা। অসহায় মানুষের কথা ভেবে আশ্রমে ঢুকল মাছ, মাংস, আমিষ খাবার। এও এক মানবতার জয়গান। মানুষের স্বার্থই এখানে শেষ কথা।


এই আশ্রমে আমিষ খাবার প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা ছিল। এটাই প্রথা। চিরকালীন প্রথা। এতদিন সেই প্রথা একেবারে অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতেন সকলেই। এবার সেই আশ্রম সংলগ্ন হাসপাতালে তৈরি হচ্ছে আমিষ খাবার। তবে সেটা কেবলমাত্র করোনা আক্রান্তদের জন্য। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে তাঁদের পাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে আমিষ খাবার।


শুক্রবার গড়িয়া ব্রিজি এলাকার প্রণব নগরে ভারত সেবাশ্রম সংঘের ক্যাম্পাসে একটি সেফ হোম চালু করা হয়েছে। যেখানে একই সঙ্গে ২০ জন করোনা আক্রান্তকে অক্সিজেন সাপোর্ট এবং ১০ জনকে আইসোলেশন সাপোর্ট দেওয়া সম্ভব। করোনা আক্রান্তদের দেখভাল করার জন্য কয়েকজন চিকিৎসক, নার্স, আয়াও রয়েছেন। সেখানেই কোভিড রোগীকে দেওয়া হচ্ছে ডিম সেদ্ধ, মুরগির মাংসের স্যুপ।

আরও পড়ুন: ‘আপনি ক্ষমা না করলে আমি বাঁচব না’, তৃণমূল যোগ দিতে চেয়ে ভগ্ন হৃদয়ে মমতাকে চিঠি সোনালির


ভারত সেবাশ্রম সংঘের বেশ কয়েকজন প্রাক্তন ছাত্রের উদ্যোগেই এই জীব সেবার আয়োজন। চিকিৎসকরা বারবার বলছেন, কোভিড আক্রান্ত হলে রোগীর প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার। সে পরামর্শ মাথায় রেখেই এই আমিষ খাবার প্রবেশের ছাড়পত্র মিলেছে এখানে
সোশ্যাল মিডিয়াতে উচ্চ প্রশংসা পাচ্ছে আশ্রমের এই উদ্যোগ।

বাসিন্দাদের মতে, চিরকালই আর্তের সেবার সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে ভারত সেবাশ্রম সংঘ। প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষ যখন বিপন্ন তখনও সেই মানুষের পাশে দেখা যায় ভারত সেবাশ্রম সংঘকে। এবার করোনা বিপর্যয় দেশ জুড়ে। সেকারণেই ধর্মীয় অনুশাসনকে কিছুটা শিথিল করে মানবসেবায় ঝাঁপিয়েছে ভারত সেবাশ্রম।  

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

সম্পাদকের পছন্দ

টাটকা খবর

©2023 newsonly24. All rights reserved.