প্রথম পাতা খবর ই-বাইক কেনায় ১.৫ লক্ষ, সাধারণ বাইকে ১.২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অগ্রিম! বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের

ই-বাইক কেনায় ১.৫ লক্ষ, সাধারণ বাইকে ১.২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অগ্রিম! বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের

8 views
A+A-
Reset

রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বাইক ও ই-বাইক কেনার অগ্রিমের পরিমাণ বাড়াল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অর্থ দফতরের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, মোটর সাইকেল, স্কুটার বা মোপেড কেনার জন্য সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা এবং ইলেকট্রিক বাইক বা ইলেকট্রিক টু-হুইলার কেনার জন্য সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম পাওয়া যাবে। ৩ নভেম্বর থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে।

অর্থ দফতরের ১১০০-F.B. নম্বরের মেমো অনুযায়ী, যেসব রাজ্য সরকারি কর্মীর বেসিক পে ২৫,৭০০ টাকা বা তার বেশি, তাঁরা এই অগ্রিমের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। তবে নির্ধারিত সর্বোচ্চ অঙ্কই যে প্রত্যেকে পাবেন, তা নয়। কর্মীর পাঁচ বা ছয় মাসের মূল বেতন এবং সংশ্লিষ্ট গাড়ির সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য—এই তিনটির মধ্যে যে অঙ্কটি কম, সেই অনুযায়ী অগ্রিম মঞ্জুর হবে।

পেট্রোল বাইক কেনার ক্ষেত্রে কী নিয়ম?

মোটর সাইকেল, স্কুটার বা মোপেড কেনার জন্য প্রথম অগ্রিমের সর্বোচ্চ সীমা ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। তবে অগ্রিমের পরিমাণ কর্মীর পাঁচ মাসের মূল বেতন অথবা গাড়ির ক্রয়মূল্যের বেশি হতে পারবে না।

ই-বাইক কেনার ক্ষেত্রে কত টাকা?

ইলেকট্রিক বাইক বা ইলেকট্রিক টু-হুইলার কেনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে কর্মীর ছয় মাসের মূল বেতন এবং গাড়ির ক্রয়মূল্যও বিবেচনা করা হবে।

কিস্তিতে টাকা ফেরতের নিয়ম

অগ্রিমের মূল টাকা সর্বোচ্চ ৬০টি মাসিক কিস্তিতে ফেরত দিতে হবে। মূল টাকা সম্পূর্ণ পরিশোধের পর সুদ সর্বোচ্চ ২০টি মাসিক কিস্তিতে মেটানো যাবে। সুদের হার সরকার সময় অনুযায়ী নির্ধারণ করবে।

এ ছাড়া আগের অগ্রিমের মূল টাকা ও সুদ সম্পূর্ণ পরিশোধের পর তিন বছর না পেরোলে দ্বিতীয়বার এই অগ্রিম নেওয়া যাবে না। দ্বিতীয় অগ্রিমের সর্বোচ্চ সীমা ৯০ হাজার টাকা।

নতুন নির্দেশিকায় অগ্রিম মঞ্জুর করার ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতরগুলির হাতে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আবেদন অনুমোদনের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.