প্রথম পাতা খবর মমতার কংগ্রেসে যোগ নিয়ে সিদ্ধান্ত কি বৃহস্পতিবারই? জরুরি বৈঠক ডাকল কংগ্রেস, জল্পনা তুঙ্গে

মমতার কংগ্রেসে যোগ নিয়ে সিদ্ধান্ত কি বৃহস্পতিবারই? জরুরি বৈঠক ডাকল কংগ্রেস, জল্পনা তুঙ্গে

24 views
A+A-
Reset

তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙনের জল্পনা যত বাড়ছে, ততই রাজনৈতিক মহলে জোরালো হচ্ছে আরেকটি প্রশ্ন— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি আবার কংগ্রেসে ফিরতে চলেছেন? এই আবহেই বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে জরুরি বৈঠক ডেকেছে কংগ্রেস। দেশের সমস্ত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এবং রাজ্যগুলির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকদের তলব করা হয়েছে ওই বৈঠকে। মাত্র এক দিনের নোটিসে এই ধরনের বৈঠক ডাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।

কংগ্রেস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দিল্লির ইন্দিরা ভবনে অনুষ্ঠিত হবে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। সাধারণত বড় জাতীয় ইস্যু, সাংগঠনিক রদবদল বা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের আগে এ ধরনের বৈঠক ডাকা হয়। তবে এত কম সময়ের নোটিসে সর্বভারতীয় স্তরের বৈঠক ডাকার ঘটনা বিরল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

এই বৈঠকের আগে পরপর দু’দিন কংগ্রেস ও তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক নতুন করে জল্পনা উসকে দিয়েছে। সম্প্রতি ১০ জনপথে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরের দিন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই দলের সর্বোচ্চ স্তরের এই ধারাবাহিক বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে।

সূত্রের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে দুই দলের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এমনও শোনা যাচ্ছে যে, মমতাকে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আনার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জল্পনা।

যদিও তৃণমূলের একাংশ এই ধরনের জল্পনাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। দলীয় সূত্রে দাবি, কংগ্রেসে যোগদান বা তৃণমূলকে কংগ্রেসের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার মতো কোনও আলোচনা হয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক মহলে সেই ব্যাখ্যা খুব একটা গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে না।

এদিকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও বৃহস্পতিবারের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি যাচ্ছেন। ফলে প্রশ্ন উঠছে, কংগ্রেস কি ইতিমধ্যেই কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে? নাকি বৃহস্পতিবারের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে?

সব মিলিয়ে, বৃহস্পতিবারের কংগ্রেস বৈঠকের দিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। কারণ ওই বৈঠকের পরই স্পষ্ট হতে পারে, বাংলার রাজনীতিতে আরও বড় কোনও সমীকরণ তৈরি হতে চলেছে কি না।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.