লোকসভায় পৃথক রাজনৈতিক দল হিসেবে বড় স্বীকৃতি পেল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এই দলে যোগ দেওয়া সাংসদদের জন্য সংসদের নতুন ভবনে পৃথক কার্যালয় ও আলাদা আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সোমবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকের পর এই তথ্য জানান তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা এনসিপিআই নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সুদীপের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সূত্রের খবর, এনসিপিআইয়ের লোকসভার দলনেতা হচ্ছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলনেতার দায়িত্ব সামলানোর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, মুখ্য সচেতক (Chief Whip) পদে দায়িত্ব পেতে চলেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তৃণমূলে থাকাকালীনও তিনি অল্প সময়ের জন্য এই দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া, উপ-দলনেতা হিসেবে চারবারের বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের নাম চূড়ান্ত হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের খবর।
১৯ জুলাই সাংসদদের বৈঠক, সর্বদল বৈঠকেও যোগ
আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগে ১৯ জুলাই এনসিপিআইয়ের সাংসদদের বৈঠকে সংসদীয় পদাধিকারীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হবে। একই দিনে কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা সর্বদল বৈঠকেও অংশ নেবে দল।
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সংসদীয় স্বীকৃতি, আসন বণ্টন এবং সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তাঁর কথায়, “সংসদে আমাদের সাংগঠনিক ও সংসদীয় অধিকার নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী অধিবেশনে আমরা পূর্ণ শক্তিতেই অংশ নেব।”
প্রথমবার পৃথক দল হিসেবে এনসিপিআই
উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা ২০ জন সাংসদকে নিয়ে গঠিত এনসিপিআই এই প্রথম লোকসভায় পৃথক দল হিসেবে বসতে চলেছে। এনডিএ-কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় শাসক জোটের সদস্যদের দিকেই তাদের আসন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন সাংসদ কোথায় বসবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেবে দলীয় নেতৃত্ব।