প্রথম পাতা খবর দক্ষিণেশ্বর আদ্যাপীঠে শোকের ছায়া, প্রয়াত সহ-সভানেত্রী ব্রহ্মচারিণী দীপা দেবী

দক্ষিণেশ্বর আদ্যাপীঠে শোকের ছায়া, প্রয়াত সহ-সভানেত্রী ব্রহ্মচারিণী দীপা দেবী

17 views
A+A-
Reset

দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সংঘ আদ্যাপীঠের সহ-সভানেত্রী এবং আদ্যাপীঠ বালিকা আশ্রমের সম্পাদিকা ব্রহ্মচারিণী দীপা দেবী (দীপালি দেবী) আর নেই। বুধবার (৮ জুলাই) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

তাঁর প্রয়াণে আদ্যাপীঠ পরিবার, দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত, অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ব্রহ্মচারিণী দীপা দেবী নিষ্ঠা, সেবাভাব এবং মাতৃসুলভ স্নেহ দিয়ে আদ্যাপীঠের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

বিশেষ করে আদ্যাপীঠ বালিকা আশ্রমের আবাসিকদের শিক্ষা, চরিত্র গঠন ও স্বাবলম্বী করে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর স্নেহ, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ বহু ছাত্রীর জীবন গঠনে প্রেরণা জুগিয়েছে। তাঁর প্রয়াণকে আধ্যাত্মিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেই মনে করছে আদ্যাপীঠ পরিবার।

তিনি ছিলেন বেলুড় মঠের দশম সংঘাধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী বীরেশ্বরানন্দজী মহারাজের দীক্ষিত শিষ্যা। সন্ন্যাসীসুলভ জীবনযাপন, সেবাধর্ম এবং ধর্মীয় আদর্শের প্রতি তাঁর অটল নিষ্ঠা সকলের শ্রদ্ধা অর্জন করেছিল।

দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সংঘ আদ্যাপীঠের সাধারণ সম্পাদক ব্রহ্মচারী মুরালভাই এক শোকবার্তায় বলেন,

“ব্রহ্মচারিণী দীপা দেবীর প্রয়াণ সমগ্র আদ্যাপীঠ পরিবারের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর সমগ্র জীবন ছিল নিঃস্বার্থ সেবা ও পরম ভক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

জানা গিয়েছে, ব্রহ্মচারিণী দীপা দেবীর জন্ম তৎকালীন পূর্ববঙ্গের (বর্তমান বাংলাদেশ) চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পালেগ্রামে। তাঁর পিতা ছিলেন প্রয়াত অতুল চন্দ্র চৌধুরী এবং মাতা কুমুদ বালা দেবী

তাঁর জীবনাদর্শ, মানবসেবা এবং আধ্যাত্মিক চেতনা আগামী দিনেও অসংখ্য মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.