প্রথম পাতা খবর স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে অভিযুক্ত রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ পুলিশের জালে, মদ্যপ অবস্থায় পথচারীকে ধাক্কা মেরে আটক

স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে অভিযুক্ত রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ পুলিশের জালে, মদ্যপ অবস্থায় পথচারীকে ধাক্কা মেরে আটক

12 views
A+A-
Reset

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা খুনকাণ্ডে অভিযুক্ত রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন। সূত্রের খবর, সোমবার রাতে নিউটাউনের ইকোপার্ক থানা এলাকায় এক পথচারীকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা মারার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে শুরু হয় তীব্র চর্চা। সেই ভিডিও শেয়ার করেন সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্তও। এরপরই পুলিশ তাঁকে আটক করে ইকোপার্ক থানায় নিয়ে যায়।

জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ করেননি অভিযুক্ত বিডিও। ফলে তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে আর কোনও আইনি জটিলতা ছিল না। রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি বিজয় বিষণইয়ের বেঞ্চ।

সল্টলেকের দত্তাবাদ এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে। মামলাটি বিচারাধীন স্থানীয় আদালতেই আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। এর আগেও কলকাতা হাইকোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল, তবে সেই নির্দেশ মানা হয়নি বলে অভিযোগ।

পরবর্তীতে বিধাননগর আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। কিন্তু তাতেও সাড়া না দিয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আবেদন জানান। সেখানে স্বস্তি না পেয়ে তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। অভিযোগ, সেই সময় থেকেই তিনি কার্যত গা-ঢাকা দিয়েছিলেন। মৃত স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার পরিবারের অভিযোগ, দোকান থেকে অপহরণের পর পরিকল্পিতভাবে তাঁকে খুন করা হয়। যদিও শুরু থেকেই নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন প্রশান্ত বর্মণ। সোমবার রাতের ঘটনার পর তাঁকে ইকোপার্ক থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় নতুন মোড় তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে তদন্তকারী মহল।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.