প্রথম পাতা খবর বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বাংলায় শুরু ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্বোধন

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বাংলায় শুরু ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্বোধন

36 views
A+A-
Reset

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গে যাত্রা শুরু করল রাজ্য সরকারের বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ‘একটি গাছ মায়ের নামে’। আজ ৫ জুন এই কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের资深 নেতা লকেট চট্টোপাধ্যায়, পীযূষ কানোরিয়া, শংকর ঘোষ, শার্দ্বত মুখোপাধ্যায়-সহ রাজ্যের মন্ত্রিসভার多名 সদস্য ও বিধায়করা।

মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই কার্যক্রম পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি মাতৃস্নেহের প্রতি সম্মান জানানোর এক অনন্য উদ্যোগ। তিনি জানান, শুধু পরিবেশ দিবসেই নয়, আগামী এক বছর ধরে সারা রাজ্য জুড়ে এই বৃক্ষরোপণ চলবে। সরকারি দফতর, ব্লক, স্কুল, কলেজ, পুরসভা ও বিজেপির উদ্যোগে থানা এলাকায় চালানো হবে এই কর্মসূচি। বিশেষভাবে ফলের গাছ লাগানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও স্মরণ করিয়ে দেন, প্রায় দুই বছর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিল্লিতে এই কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন। এবার সেই ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছে বাংলা। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ৫ জুন ২০২৬ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত রাজ্যব্যাপী এই বৃক্ষরোপণ অভিযানের কথা ঘোষণা করেছে। এটি কেন্দ্রের ‘এক পেড় মা কে নাম’ অভিযানের অনুরূপ।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য রাজ্যের সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি করা এবং পরিবেশ সচেতনতা জাগিয়ে তোলা। রাজ্যে মোট ১ কোটি ১০ লক্ষ (১.১ কোটি) চারাগাছ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী— জেলা ও কেএমসি স্তরে প্রায় ৫ হাজার, ব্লক স্তরে ১০০টি, পুরসভা স্তরে ২০০টি, পৌরনিগম/বরো স্তরে ৩০০টি এবং প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে ১ হাজার করে চারাগাছ লাগানো হবে। এই অভিযানে সাধারণ রাজ্যবাসী ও স্কুল পড়ুয়ারাও সরাসরি অংশ নেবেন। বিভিন্ন ব্লক অফিস থেকে স্কুলগুলিতে বিতরণ করা হবে গাছের চারা। চারাগাছ রোপণের পর তার পাশে মায়ের নামে নেমপ্লেট স্থাপন করে ছবি তুলে ‘মাহ্ ভারত’ পোর্টালে আপলোড করলে অংশগ্রহণকারীরা পাবেন একটি ডিজিটাল শংসাপত্র। মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন, এই কর্মসূচি শুধু পরিবেশ বাঁচাতেই নয়, মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনেরও এক অসাধারণ মাধ্যম হয়ে উঠবে।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.