প্রথম পাতা খবর কলকাতা পুরভোটের কাউন্টডাউন শুরু, ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন বোর্ড গঠনের ঘোষণা শুভেন্দুর

কলকাতা পুরভোটের কাউন্টডাউন শুরু, ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন বোর্ড গঠনের ঘোষণা শুভেন্দুর

13 views
A+A-
Reset

কলকাতা পুরসভার নির্বাচন নিয়ে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার পুরসভা স্বচ্ছতা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আগামী ছ’মাসের মধ্যেই কলকাতা পুরসভার নির্বাচন সম্পন্ন হবে এবং ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন নির্বাচিত বোর্ড গঠন করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর কার্যত কলকাতা পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দীর্ঘদিন ধরে পুরভোটের সম্ভাব্য সময় নিয়ে জল্পনা চলছিল। এবার সেই জল্পনায় ইতি টেনে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার।

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই বদলাতে শুরু করেছে সমীকরণ। এক সময়ের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। সম্প্রতি মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেন ফিরহাদ হাকিম। তাঁর পদত্যাগের পর কার্যত ভেঙে যায় পুরবোর্ড।

যদিও বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল, কিন্তু মেয়রের পদত্যাগের জেরে প্রশাসনিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। এরপর পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে-কে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেয়।

বর্তমানে প্রশাসকের মাধ্যমেই কলকাতা পুরসভার কাজকর্ম পরিচালিত হচ্ছে। তবে প্রশ্ন ছিল, নতুন সরকার কি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচন করাবে, নাকি প্রশাসকের হাতেই দীর্ঘদিন পুরসভার দায়িত্ব থাকবে? সোমবারের ঘোষণার মাধ্যমে সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতেই পুর প্রশাসনের দায়িত্ব ফিরিয়ে দিতে চায় সরকার। সেই কারণেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ভোট সম্পন্ন করে নতুন বোর্ড গঠনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কলকাতা পুরসভা পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান। ফলে এই নির্বাচন শুধু শহরের উন্নয়ন নয়, রাজ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এখন নজর নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপ, ভোটের নির্ঘণ্ট এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রস্তুতির দিকে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর এটা স্পষ্ট, বছরের শেষের আগেই কলকাতা পুরসভার নতুন বোর্ড পেতে চলেছে শহরবাসী।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.