পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় বাংলা ভাষায় প্রথম বাংলা মাসিক পত্রিকা ১৮১৮ সালের এপ্রিলে শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশন থেকে প্রকাশিত হয়,নাম ছিল “দিগদর্শন”সম্পাদক ছিলেন ক্লার্ক মার্শম্যান,যদিও সহযোগিতায় ছিলেন পণ্ডিত জয়গোপাল তর্কালঙ্কার এবং পণ্ডিত তারিণীচরণ …
প্রবন্ধ
-
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় মহালয়ার ভোরে যেমন বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ, পঙ্কজ কুমার মল্লিক-এর সুরে শিল্পীদের গাওয়া গান…, ঠিক তেমনই কালীপুজো মানেই পান্নালাল ভট্টাচার্য-এর সেই চির অম্লান, দরদী কন্ঠে গাওয়া শ্যামা-সঙ্গীত। সেই সময়ে …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় আজ থেকে প্রায় আড়াই/তিন হাজার বছর আগে মৌর্য যুগে চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালের সময়ের পূর্ব সময়ে আনুমানিক ৩২২ খ্রীস্টপূর্বতে এই রাস্তা বা সড়কের নাম পাওয়া যায়। চন্দ্রগুপ্ত,পুরু,চানক্য,তক্ষশিলায়,অশোক, প্রমুখদের বিভিন্ন ইতিহাসে, …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায়“নীল দিগন্তে ঐ ফুলের আগুন লাগলো, নীল দিগন্তে…”কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ আহ্বান জানালেন..”দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি..” বসন্তের আকাশে বাতাসেমাটিতে,মাটির ঘরে ঘরে আবীরের পরশে পরশে “আজি সবার রঙে রঙ মেশাতে হবে”।ফাগুনের …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় আজ বইমেলার শেষ দিনে মনে পড়ছে গত দু’বছরের কাটানো আতঙ্কের দিনগুলির কথা। এই মহামারির সময়ে মানুষ যেন মৃত্যুর সুত্রে বড়ো আপন হয়ে উঠল,স্মৃতিতে রয়ে গেল কাছের দুরের কত …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় ৮ ই মার্চ, বিশ্ব নারী দিবস। সারা বিশ্বের সব দেশেই আজ এই দিবসটি সসম্মানে পালিত হয়।কারণ,আমাদের সমাজে নারীই হলেন প্রাণ কেন্দ্র। নারী—কখনো স্নেহময়ী মা হিসাবে,কখনো দিদি-বোন হিসাবে,কখনো আমাদের …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় সেই কোন্ কালে সভ্যতার ঊষালগ্নে মানব সমাজে নারীই ছিলেন সভ্যতার কেন্দ্র বিন্দুতে। আদিতে তখন ছিল মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা। এটাই ছিল প্রাকৃতিক নিয়ম। যা আজও জীব জগতে প্রবহমান। কিন্তু …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় “সরফরসি এ তামান্না অব্ হামারে দিলমে হ্যায়..”- এই ছিল সেই দৃঢ়চেতা মানুষটির শেষ উচ্চারন। ভারতমাতার সেই বীর সন্তানের নাম,বীর পুত্তরের নাম চন্দ্রশেখর আজাদ।আসল নাম ছিল চন্দ্রশেখর তিওয়ারি। মা …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় ” আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি… “ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি— মায়ের ভাষার সম্মান রক্ষা করার জন্য ভাষা আন্দোলনের সেই উত্তাল দিনে সেই …
-
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় প্রাচীন রোমে ১৪ ই ফেব্রুয়ারী ছিল রোমান দেবী জুনো-র সম্মানে ছুটির দিন,আর এই জুনো ছিলেন রোমানদের বিশ্বাস অনুযায়ী ভালোবাসা বা প্রেমের দেবী। কারও কারও মতে ১৪ ই ফেব্রুয়ারী …