প্রথম পাতা খবর মেয়র পদ ছাড়তে চলেছেন ফিরহাদ! সম্মতি দিয়েছেন মমতা, জানালেন কুণাল

মেয়র পদ ছাড়তে চলেছেন ফিরহাদ! সম্মতি দিয়েছেন মমতা, জানালেন কুণাল

24 views
A+A-
Reset

নবান্নের পর এবার কি তৃণমূলের হাতছাড়া হতে চলেছে কলকাতা পুরসভাও? বুধবার কলকাতার মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এমনটাই দাবি তৃণমূলের অন্দরের একাধিক সূত্রের।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ফিরহাদ। যদিও এ বিষয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি কলকাতার মেয়র।

সূত্রের খবর, বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে নবান্নে গিয়েছিলেন তৃণমূলের কয়েকজন বিধায়ক। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কলকাতা বন্দর কেন্দ্রের বিধায়ক ফিরহাদ হাকিমও। বৈঠক থেকে ফেরার পরই তিনি মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান বলে খবর।

কুণাল ঘোষের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে কলকাতা পুরসভায় কার্যকরভাবে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলেই দলনেত্রীর কাছে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন ফিরহাদ। তাঁর কথায়, “নেত্রী প্রথমে বারণ করেছিলেন। কিন্তু ফিরহাদ জানান, তিনি সম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চান। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে সম্মতি দেন।”

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের নভেম্বরে কলকাতার মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি ছিলেন কলকাতা পুরসভার ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মেয়র। এরপর ২০২১ সালে দ্বিতীয়বার মেয়রের পদে নির্বাচিত হন। প্রায় আট বছর ধরে মন্ত্রিত্ব এবং মেয়র— দুই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বই একসঙ্গে সামলেছেন তিনি।

এই ঘটনার আগের দিনই কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পারিষদ (নিকাশি) পদ থেকে ইস্তফা দেন তারক সিংহ। ইস্তফার পর তিনি তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে তৃণমূলের প্রতীকে আর নির্বাচনে না লড়ার ঘোষণা করেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসাও করেন তিনি।

তারকের ইস্তফার পর মঙ্গলবার ফিরহাদ হাকিম বলেছিলেন, “আমরা একটি টিম হিসেবে কাজ করি। যা করব, একসঙ্গেই করব।” সেই মন্তব্যের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর ইস্তফার জল্পনা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।

যদিও তৃণমূল বা কলকাতা পুরসভার তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে ফিরহাদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান এবং কলকাতার মেয়র পদে সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ছে।

আরও খবর

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.